বিক্রম রায়, কোচবিহার: কোচবিহারের দিনহাটায় ব্রিগেডের প্রচার সভা থেকে ফেরার পথে হামলার মুখে পড়লেন তৃণমূল কর্মীরা সমর্থকরা। ঘটনার আহত শাসকদলের যুব শাখার চারজন কর্মী। তাঁরা ভরতি হাসপাতালে। এদিকে দলের কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় আবার নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটার এক নম্বর ব্লকের সভাপতি নূর আলম হোসেনের। যদিও গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
[ টিএমসিপির সভায় বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ]
আগামী ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের দিন যত এগিয়ে আসছে, কোচবিহারে তৃণমূল কর্মীদে্র প্রচারের মাত্রাও ততই বাড়ছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার সভা করছে যুব তৃণমূল কংগ্রেস, এমনকী, টিএমসিপিও। বৃহস্পতিবার দিনহাটার নৃপেন্দ্রনারায়ণ সভাগৃহে ব্রিগেডের প্রচার সভার আয়োজন করেছিল যুব তৃণমূল কংগ্রেস। সভায় হাজির ছিলেন দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ, যুব তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি ও সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়। সভা নির্বিঘ্নেই শেষ হয়। কিন্তু সভা থেকে ফেরার পথে হামলার মুখে পড়েন শাসকদলের যুব শাখার কর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় পেতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের রথবাড়ি ঘাট এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের উপর আচমকাই হামলা চালায় এক দুষ্কৃতী। রীতিমতো রাস্তায় ফেলে তাঁদের মারধর করা হয়। গুরুতর আহত হন চারজন। তাঁদের ভরতি করা হয়েছে হাসপাতালে।
কিন্তু শাসকদলের কর্মীদের উপর কারা হামলা চালাল? স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দিনহাটায় শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি নূর আলম হোসেনের অনুগামীরাই শাসকদলের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে কোচবিহারের দিনহাটায় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভামঞ্চে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এলাকায় চলেছিল ব্যাপক বোমাবাজি। সেবারও ব্রিগেডের প্রচার সভারই আয়োজন করা হয়েছিল এবং গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগও উঠেছিল।
ছবি: দেবাশিস বিশ্বাস
[ ‘তোমরা নিজেরা শোধরাও’! যুযুধান দুই দলীয় নেতাকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী]