Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

বার্ধক্য ঠেকাতে রক্ত দিয়ে ক্রিম তৈরি বেকহ্যাম-পত্নীর

অনুচক্রিকার জিডিএফ-১১ সংগ্রহ করেই ময়েশ্চারাইজার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৯, ২০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৯, ২০:৩২

options
link
বার্ধক্য ঠেকাতে রক্ত দিয়ে ক্রিম তৈরি বেকহ্যাম-পত্নীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্তের তেজ কমতে থাকে। বয়স রক্তকে ঠান্ডা করে শরীরের ভিতরের কলকবজাকে দুর্বল করে। সঙ্গে গভীর ছাপ রেখে যায় আমাদের ত্বকেও। ভাঁজ পড়া, ছোপ ধরা চামড়ায় ধরা পড়ে বয়স। এবার ত্বকের বয়স কমাতে ব্যবহার করা হচ্ছে নিজের রক্ত। বয়স লুকাতে বাজারে ক্রমেই বাড়ছে অ্যান্টি এজিং ক্রিমের চাহিদা। ক্রিমের রাসায়নিক উপাদান কি নিরাপদ! ত্বক বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত ছিলেন না। নিশ্চিন্ত ছিল না সৌন্দর্য সচেতন মানুষও। তবে সবার চিন্তা কমিয়ে নয়া ‘অ্যান্টি এজিং ক্রিম’ বাজারে আনলেন ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম।

ডেভিড বেকহ্যাম ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন অনেকদিন। ৪৪ বছরে পা দিয়েছেন মডেল স্ত্রী ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামও। ডাকসাইটে সুন্দরী ও ত্বক বিশেষজ্ঞ হিসেবে গোটা বিশ্বে সুখ্যাতি তাঁর। এভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে গ্ল্যামা হারানোর বিষয়টি কোনও ভাবে মেনে নিতে পারেননি ভিক্টোরিয়া। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। ক্লায়েন্টদের জন্য অনেক প্রসাধন সামগ্রী বানান। বাজারে বিক্রিও হয় সেসব। কিন্তু নিজের সৌন্দর্যের টোটকা নিজেই বানালেন। তবে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হবে কিনা তা নিয়ে আগে থেকেই সাবধানী ছিলেন। অবশেষে অনেক প্রচেষ্টায় ১২০০ পাউন্ড খরচ করে নিজের রক্ত দিয়েই তৈরি করে ফেললেন নয়া ‘অ্যান্টি এজিং ময়েশ্চারাইজার’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[নারী আর পুরুষের অর্গাজম্ কি সমান? গবেষণা কী বলছে?]

রক্তের অনেক উপাদানের মধ্যে আছে গ্রোথ ডিফারেনসিয়েশন ফ্যাক্টর ১১ (জিডিএফ ১১)। মূলত এই উপাদানই বার্ধক্য নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। রক্তের প্লেটলেট-এ জিডিএফ ১১-এর উপস্থিতি অত্যধিক মাত্রায় পাওয়া যায়। তাই প্লেটলেট থেকে জিডিএফ ১১ সংগ্রহ করে তাই দিয়েই তৈরি করা হয়েছে এই ময়েশ্চারাইজার। এই অ্যান্টি এজিং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারেও কোনও ঝক্কি নেই বলে দাবি করেছেন ভিক্টোরিয়া। তাঁর কথায়, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় মুখে মেখে নিলেই হবে। এর জন্য ঘুমের মধ্যে কোনও চটচটে বা কুটকুটে অনুভূতিও হবে না। আর পরদিন চোখ মেলে আয়নার সামনে দাঁড়ালেই ধরা পড়বে এক তরতাজা তারুণ্যের প্রতিবিম্ব। তবে টাকা ফেললেই বাজারে এই উপাদান পাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট সংস্থার বিশেষজ্ঞদের কাছে নিজের রক্ত দিয়েই তৈরি করতে হবে এই উপাদান। যার বিনিময়ে চিরতরুণ থাকার চাবিকাঠি থাকবে আপনার হাতের মুঠোয়।

[শীতের মরশুমে এক চুমুকেই ধরে রাখুন ত্বকের যৌবন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.