সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুম্ভমেলায় ফের অগ্নিকাণ্ড। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বিহারের রাজ্যপাল লালজি টন্ডন। গভীররাতে মেলা প্রাঙ্গনে তাঁর তাঁবুতে আগুন লেগে যায়।
[পশ্চিম দিল্লিতে আগুনে পুড়ে ছাই ২৫০টি ঝুপড়ি, সহায়সম্বলহীন বস্তিবাসী]
জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ শহরে চলছে কুম্ভমেলা। এবছর মেলাকে ঘিরে আয়োজনের কোনও খামতি রাখেনি যোগী সরকার। স্রেফ কুম্ভমেলার জন্য ২৫০ কিমি রাস্তা তৈরি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। মেলার প্রাঙ্গনে তৈরি করা হয়েছে ২২ অস্থায়ী তাঁবু, লাগানো হয়েছে ৪০ হাজার এলইডি আলো। কিন্তু, নিরাপত্তা? সেদিকে কিন্তু বড়সড় খামতি রয়েই গিয়েছে। কুম্ভমেলায় এখনও পর্যন্ত ছ’বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। উত্তরপ্রদেশের কুম্ভমেলায় গিয়েছেন বিহারের রাজ্যপাল লালজি টন্ডন। রীতিমাফিক মেলা প্রাঙ্গনেই একটি তাঁবুতে রাজ্যপালের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল যে তাঁবুতে ছিলেন, মঙ্গলবার রাত দু’টো নাগাদ সেই তাঁবুতেই আগুন লেগে যায়। তড়িঘড়ি রাজ্যপাল লালজি টন্ডনকে অন্য তাঁবুতে সরিয়ে নেওয়া যায়। শেষপর্যন্ত তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সার্কিট হাউসে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে আশেপাশের তিনটি তাঁবু। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা। কেউ হতাহত হননি। তবে বিহারের আগুনে বিহারের রাজ্যপালের চশমা, মোবাইল ঘড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মেলা তখনও শুরু হয়নি। গত মাসে কুম্ভমেলার চত্বরে দিগম্বর আখড়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় আখড়ার আশেপাশের ১২টি তাঁবু। সেই শুরু। তারপর থেকে প্রয়াগররাজ শহরে কুম্ভমেলায় একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে চলেছে।
[ পছন্দের চ্যানেল বাছাইয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়াল TRAI]