Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ভারতের শক্তিই বদলে দিল অভিনন্দন শব্দের মানে: নরেন্দ্র মোদি

অভিনন্দন বর্তমানের সাহস ও দৃঢ় মানসিকতার প্রশংসা করে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৬:২৭

options
link
ভারতের শক্তিই বদলে দিল অভিনন্দন শব্দের মানে: নরেন্দ্র মোদি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “ভারত কী করছে তা লক্ষ্য করছে গোটা বিশ্ব। ভারতের শক্তি আজ অভিধানে থাকা শব্দের অর্থও বদলে দিচ্ছে। অভিনন্দন বলতে ইংরেজিতে এতদিন আমরা কনগ্র্যাচুলেশন বুঝতাম। যদিও এখন থেকে শব্দটির অর্থ বদলে যাবে।” শনিবার দিল্লিতে আবাসন মন্ত্রকের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিনন্দন বর্তমানের সাহস ও দৃঢ় মানসিকতার প্রশংসা করে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

গত বুধবার ভারতের আকাশসীমা টপকে আসা পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে তাড়া করতে গিয়ে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়েন ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন। প্রথমে তাঁকে ছাড়া নিয়ে পাকিস্তানের তরফে জটিলতা তৈরির চেষ্টা হলেও ভারতের চাপের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হয় তারা। গতকাল রাতে আট্টারি-ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর ভারতের ওই বীর সৈনিকের প্রথম কথাই ছিল, “নিজের দেশে ফিরে এসে ভাল লাগছে।” রাতেই তাঁকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী টুইট করেন, স্বাগতম উইং কমান্ডার অভিনন্দন। গোটা দেশ তোমার সাহসিকতার জন্য গর্ব অনুভব করছে। আমাদের সেনা ১৩০ কোটি ভারতবাসীর কাছে অনুপ্রেরণা। বন্দে মাতরম !

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[সীমান্তে উত্তেজনার আবহে নিরাপত্তা বাড়ল বায়ুসেনা এবং নৌবাহিনীর প্রধানের]

গতকাল অভিনন্দনকে দেশে স্বাগত জানাতে টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “স্বাগত উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। তোমার দৃষ্টান্তমূলক সাহসের জন্য দেশ গর্বিত। তুমি আমাদের সেনাবাহিনী ও ১৩০ কোটি ভারতবাসীর অনুপ্রেরণা। বন্দে মাতরম।”

[দেশে ফিরেছেন বীর, টুইটে অভিনন্দনের জোয়ার সেলেবদের]

গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সংসদে দাঁড়িয়ে অভিনন্দনকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ভারতকে শান্তির বার্তা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। গত ৫০ বছরের ইতিহাসে বহুবার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভারতের সীমান্ত লক্ষ্য করে গোলাগুলি ছোঁড়া হলেও এই ধরনের ঘটনা আগে কোনদিন ঘটেনি। এই ঘটনার জন্য কেউ কেউ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে হিরো সাজানোর চেষ্টা করলেও বর্তমান বিশ্বে ভারতের অবস্থানই জঙ্গিদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হওয়া পাকিস্তানকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.