Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দিল্লির মসনদে মোদিকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বন্ধু পারিকরই

এ বন্ধুত্বের কাহিনি নিঃসন্দেহে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০১৯, ১১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০১৯, ১১:১৬

options
link
দিল্লির মসনদে মোদিকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বন্ধু পারিকরই zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে, রাজনীতিতে কেউ কারও বন্ধু নয়। আজ যে আপন, কাল সে পর। এই চিরন্তন সত্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছিলেন মনোহর পারিকর। নেতা-মন্ত্রীও যে একজন বিশ্বস্ত বন্ধু হতে পারেন, তা জীবনের প্রতিটি পদে প্রমাণ করেছেন গোয়ার প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী।

দেশপ্রেমী মনোহর পারিকরকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে রাজ্য তথা দেশের জন্য নানা উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের পাশাপাশি মন-প্রাণ দিয়ে বন্ধুত্বও পালন করেছিলেন তিনি। যে বন্ধুত্বের কাহিনি নিঃসন্দেহে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মোদি ও মনোহরের বন্ধুত্বের কাহিনি। নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রীর মসনদে বসার নেপথ্যে যে ব্যক্তির ভূমিকা কম কিছু নয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আইআইটি থেকে রাজনীতির আঙিনায়, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন দেশপ্রেমী পারিকরকে]

দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সুসম্পর্ক থাকবে, এমনটা তো স্বাভাবিক। কিন্তু মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগের পর্ব হয়তো অনেকের কাছেই অজানা। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে ইউপিএ সরকারকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। সে সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদির নাম প্রস্তাব করেছিলেন পারিকরই। বাকিটা ইতিহাস। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সময় পরস্পরকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছেন মোদি ও পারিকর। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে পারিকরকে বন্ধু সম্বোধন করে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছিলেন মোদি। কিন্তু দুরারোগ্য ক্যানসারের কাছে শেষমেশ হার মানলেন ৬৩ বছরের প্রাণোবন্ত নেতা।

এদিকে গোয়ার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণার জন্য রবিবার রাতেই জোট সঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি। কিন্তু বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। তবে এমজিপি’র সুদিন ধবলিকর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। উলটোদিকে মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে কংগ্রেস। রাজ্যপাল মৃদুলা সিনহাকে একটি চিঠি দিয়ে কংগ্রেস জানিয়েছে, বিজেপি জোটের সমর্থন পাবে না। তাই নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বিরোধীদেরও ডাকা হোক। পারিকরের উত্তরসূচি কে হন, সেদিকেই তাকিয়ে দেশ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.