সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি একজন সাংসদ। সেই মতোই বেতন পান। তাহলে দশ বছরে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সম্পত্তি কোন মন্ত্রে ৫৫ লক্ষ টাকা থেকে ৯ কোটিতে পৌঁছে গেল? লোকসভা নির্বাচনের আগে চাপ বাড়াতে এবার প্রধান বিরোধী দলের মুখকেই আক্রমণের লক্ষ্য হিসাবে বেছে নিল বিজেপি। রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী হলফনামা তুলে ধরে তাঁর বর্ধিত সম্পত্তির উৎস জানতে চেয়েছেন কেন্দ্রের বিদায়ী মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। একইসঙ্গে জমি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ভগ্নিপতি রবার্ট বঢরার প্রসঙ্গ টেনে রাহুলকে আক্রমণ করেছেন তিনি।
[আরও পড়ুন: অভিনব নিয়ম, সন্দেহ হলে মিলবে দ্বিতীয়বার ভোটের সুযোগ]
প্রত্যেক প্রার্থীকেই ভোটের সময় সম্পত্তির বিবরণ, ফৌজদারি মামলার তথ্য ইত্যাদি উল্লেখ করে হলফনামা জমা দিতে হয়। সেই নথি উল্লেখ করে শনিবার রাহুলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন রবিশংকর প্রসাদ। বিজেপির সদর দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘২০০৪ সালে নির্বাচনী হলফনামায় ৫৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকার সম্পত্তি ঘোষণা করেছিলেন রাহুল। ২০০৯ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি। আর ৯ কোটি টাকা হয়েছে ২০১৪ সালের হলফনামায়।’ প্রসাদের বক্তব্য, লোকসভার সাংসদ হিসাবে তিনি যে বেতন পান, সেটাই রাহুলের আয়ের উৎস। তাহলে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৫৫ লক্ষ থেকে বেড়ে ৯ কোটি হল কীভাবে? রাহুলের আয়ের কি অন্য উৎস রয়েছে? তাহলে সেটা প্রকাশ্যে আনা হোক।
[আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীকে বিষ পান করার পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে বিজেপি বিধায়ক]
বিজেপির মুখপাত্র রবিশংকর প্রসাদের প্রশ্ন, ‘আমরা জানতে চাই ওঁর উন্নতির মডেলটা কী?’ তাঁর কটাক্ষ, ‘এখনও পর্যন্ত বঢরার উন্নতি মডেল চাক্ষুষ করেছি আমরা। এই মডেলে ৬-৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে তিন বছরে ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়। এবার রাহুল গান্ধীর মডেলের ব্যাপারে জানতে পেরেছি।’ একইসঙ্গে প্রসাদ মনে করিয়ে দেন, গুজরাট থেকে দিল্লি আসার সময় নিজের বেতনের সঞ্চিত ২১ লক্ষ টাকা কেরানি কর্মীদের সন্তানদের দিয়ে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একদিকে সততার নজির, আর অন্যদিকে বিনা আয়েও ৫৫ লক্ষের সম্পত্তি বেড়ে ৯ কোটি টাকা হয়ে গেল বলে মন্তব্য করেছেন রবিশংকর প্রসাদ৷