Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
হোমিওপ্যাথ, চিকিৎসা

মনের অসুখে হোমিওই অব্যর্থ, জানেন কীভাবে?

মনের পারদ ওঠা-নামায় কার্যকরী কোন ওযুধ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০১৯, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০১৯, ২১:০২

options
link
মনের অসুখে হোমিওই অব্যর্থ, জানেন কীভাবে? zoom

শুধু সর্দি-জ্বর নয়, মানসিক অসুখেও অব্যর্থ হোমিওপ্যাথি। মনের পারদ ওঠানামায় কখন কোন ওষুধ ভাল কাজে দেয়? জানাচ্ছেন বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডা: প্রকাশ মল্লিক

টেনশনে হোমিওপ্যাথি
প্রচণ্ড মানসিক উদ্বেগে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশ ও পিটুইটারি গ্রন্থিতে চাপ পড়ে। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে ব্রেনের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে। টেনশনে রক্তচাপ, ব্লাড সুগার বেড়ে যায়, মেয়েদের ঋতুস্রাবে গণ্ডগোল দেখা দিতে পারে, স্মৃতিশক্তি কমে, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ হতে পারে। যে কোনও কাজে প্রচণ্ড টেনশন, কী হবে কী হবে ভাব, সময় কাটতে চায় না। এমন ক্ষেত্রে আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম ভাল কাজে দেয়। প্রচণ্ড নার্ভাস, টেনশনে হাত-পা কাঁপা, মাথা ঘোরা, চিন্তা লোপ পাওয়া, চুপচাপ থাকার ইচ্ছা, একা থাকতে চাওয়া, কথা বলতে না চাওয়ার ভাল ওষুধ জেলসিমিয়াম। বুদ্ধিমান, যোগ্যতাসম্পন্ন কিন্তু নিজের দক্ষতা দেখাতে গেলে নার্ভাস, আত্মবিশ্বাসের অভাব, বয়সের তুলনায় চেহারায় বয়সের ছাপ -এমন ক্ষেত্রে জরুরি লাইকোপডিয়াম। এছাড়া প্যাসিফ্লোরা, ক্যালি ফস, নাক্স-ভমিকা টেনশন কাটাতে সাহায্য করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:বাচ্চার ওয়াক তোলা অভ্যাস? অবহেলা করবেন না খবরদার]

অ্যালজাইমার্স
এই অসুখের প্রধান সমস্যা সব কিছু ভুলে যাওয়া। বুদ্ধি লোপ পাওয়া। মস্তিষ্কে নিউরোট্রান্সমিটার উৎপাদন বন্ধ হওয়া, উৎপাদনের পরিমাণ কমে যাওয়ার মতো কারণে এই অসুখ হয়। এমন রোগীদের উপর হোমিওপ্যাথি ওষুধ স্ট্র‌্যামোনিয়াম, জিঙ্ক সালফ, জিঙ্ক ভ্যাল, জিঙ্কোবাইলোবা প্রয়োগ করে ভাল ফল মেলে। তবে কখনওই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। এতে বিপদ বাড়ে।

হিস্টিরিয়া
নানা মানসিক চিন্তা, উৎকণ্ঠা থেকে হিস্টিরিয়ার উৎপত্তি। অবচেতন মনের সহজাত ইচ্ছেগুলির সঙ্গে বাহ্যিক, সামাজিক আচার-আচরণের দ্বন্দ্ব তৈরি হলে উৎকণ্ঠা, মানসিক চাপের জন্ম হয়। এর বহিঃপ্রকাশ হিস্টিরিয়া। এদের বারবার খিঁচুনি, হাত-পা অসাড়, বুক ধড়ফড়, দাঁতে দাঁত লেগে যাওয়া। ভবিষ্যত নিয়ে নানা চিন্তায় অনিদ্রায়- কফিয়া ২০০। মনে দুঃখ চেপে রাখায় হিস্টিরিয়া -ইগ্নেশিয়া। ঋতুস্রাব বিলম্বের কারণে -কলোফাইলাম। এছাড়া লক্ষণ অনুযায়ী সিফিলিনাম, ক্যালট্রপিস, ন্যাট মিউর।

মানসিক অবসাদ
রোগী চুপচাপ থাকলে : ওপিয়াম
আরোগ্য নিয়ে নিরাশা : মেডো
রোগী ভাবে যেন পাগল হয়ে যাবে : মেডো
জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ : ন্যাট-মুর
বিষণ্ণতা : মরফিনিয়াম
অনর্থক ঘুরে বেড়ানো : অ্যাসিডফ্লোর
মনে কষ্ট হলেও বহিঃপ্রকাশ না করতে পারা : ইগনেশিয়া

[আরও পড়ুন: ব্যস্তজীবনে ফিট অ্যান্ড ফাইন থাকতে চান? রইল টিপস]

শক জরুরি হলে দিন
মানসিক রোগীকে বিদ্যুতের শক দিয়ে চিকিৎসার করার ছবি সিনেমার দৃশ্যে দেখে আতঙ্কিত হন সবাই। এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলে ইলেক্ট্রো কনভালসিভ থেরাপি (ইসিটি)। ডাক্তার ইসিটি দেওয়ার পরামর্শ দিলে অনেক সময় রোগীর পরিবার তাতে রাজি হন না। তাঁরা ভাবেন, ইসিটিতে রোগীর শারীরিক কষ্ট হয়, ব্রেন অকেজো হতে পারে, আর ওষুধ কাজ করবে না। কিন্তু এগুলি সব ভ্রান্ত ধারণা। বাস্তবে ১২০ ভোল্টে বিদ্যুতের শক খুব অল্প সময়ের জন্য দেওয়া হয়। সেই সময় রোগীর সামান্য খিঁচুনি হয় এবং রোগী জ্ঞান ফেরার পর খিঁচুনির কথা ভুলে যান। একবার ইসিটি দিলে পরে অন্য ওষুধ দিব্যি কাজ করে। কিছু ক্ষেত্রে ইসিটি জীবনদায়ী। তাই ডাক্তার পরামর্শ দিলে দ্বিধা করবেন না।

লক্ষণ বুঝে ওষুধ
চিন্তায় প্রচণ্ড ব্যস্ত হয়ে পড়ে : অ্যামব্রাগ্রেসিয়া
বেশি করে বলার প্রবৃত্তি : ক্যানাবিস ইন্ডিকা
বেশি কাজ করায় খিটখিটে মেজাজ: স্ট্যাফিসেগ্রিয়া
দুরন্ত শিশুর পড়তে বসে মাথা ব্যথা : ক্যালকেরিয়া ফস
ব্যায়ামে অনিচ্ছা : চায়না
সহবাসে অনিচ্ছা : ককুলাস
সামান্য কারণে হতাশ : অ্যালুমেন
আত্মবিশ্বাসের অভাব : সাইলেশিয়া
অতিরিক্ত বক বক করা : স্ট্র্যামোনিয়াম
অসুস্থতার ভান করা : টেরেনটুলা
সবাইকে সন্দেহ : হাইয়োসাইমাস
আত্মহত্যার প্রবণতা : অ্যালিউ, অ্যানাকা, আর্স, চায়না, নাইট্রিক অ্যাসিড, নাক্স-ভম, রাস-টক্স
মনে সব সময় কুচিন্তা : ন্যাটমিউর
কারও ভাল সহ্য করতে না পারা : ল্যাকেসিস
আত্মীয়স্বজনকে দেখতে না পারা : সিপিয়া
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তবেই খেতে পারেন। কারণ কখন কোন ওষুধ কত ডোজে দিতে হবে তা একমাত্র চিকিৎসকই বলতে পারেন। নিজে নিজে ওষুধ প্রয়োগ করলে বিপদ মারাত্মক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.