Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
যোগী

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, ৭২ ঘণ্টার জন্য যোগীর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

৪৮ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে মায়াবতীর প্রচারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৩:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৩:০৪

options
link
সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, ৭২ ঘণ্টার জন্য যোগীর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট প্রচারে ধর্মকে হাতিয়ার করে এবার নির্বাচন কমিশনের রোষের মুখে যোগী আদিত্যনাথ। একই দোষে দুষ্ট বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীও। যোগী এবং মায়াবতীকে শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টা যোগীর ভোটপ্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মায়াবতীও আগামী ৪৮ ঘণ্টা প্রচার করতে পারবেন না। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে জারি হবে এই নিষেধাজ্ঞা।

[আরও পড়ুন: ভোট চলাকালীনও ট্রেন টিকিটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি! অভিযোগ তুলে ঘাড় ধাক্কা খেলেন যাত্রী]

জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে একাধিকবার সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক সভায় যোগী বলেছেন, “ওরা আলি’তে বিশ্বাস করে, আমরা বজরংবলিতে বিশ্বাস করি। ওদের আলি থাক, আমাদের বজরংবলি থাক।” সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের একটি সভাতেও তাঁকে এই একই কথা বলতে শোনা যায়। এছাড়া এয়ারস্ট্রাইককে রাজনীতিতে ব্যবহার করা অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ভারতীয় সেনাকে ‘মোদিজির সেনা’ বলেও মন্তব্য করেন যোগী। এসব বিতর্কিত মন্তব্যগুলির জেরে বিরোধীরা যোগীর তীব্র সমালোচনা করেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের কাছে রাজীব কুমারের হলফনামার জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের]

অন্যদিকে, মায়াবতী যোগীর আলি-বজরংবলি মন্তব্যের পালটা দিতে গিয়ে মায়াবতীও বলেন, “ওদের শুধু বজরংবলি চাই, আর আমাদের আলি-বজরংবলি দুটোই চাই।” এছাড়াও সম্প্রতি মায়াবতী বলেছিলেন, “মুসলিমদের একত্রিত হওয়ার উচিত। মুসলিমদের কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে বিজেপি বিরোধী ভোটে বিভাজন করা উচিত নয়।” দুই নেতার কথাতেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। এবং দু’জনকেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছিল খোদ সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত কমিশনের কছে জানতে চেয়েছিল, যেসব নেতারা বেফাঁস মন্তব্য করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কমিশন কি ব্যবস্থা নিচ্ছে? শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের পরই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.