Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নাথুরাম গডসে

“বিজেপি ও আরএসএস ‘গডসে’ লাভার”, কটাক্ষ রাহুলের

প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠক নিয়েও কটাক্ষ করেন কংগ্রেস সভাপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০১৯, ১৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০১৯, ১৮:৫৫

options
link
“বিজেপি ও আরএসএস ‘গডসে’ লাভার”, কটাক্ষ রাহুলের zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “বিজেপি ও আরএসএস ‘গড’-এর নয় ‘গডসে’-এর লাভার।” নাথুরাম গডসে-কে নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝে শুক্রবার এই মন্তব্যই করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি টুইট করেন, “শেষ পর্যন্ত বিষয়টা ধরতে পেরেছি আমি। বিজেপি ও আরএসএস ভগবানের নয় গডসের প্রেমিক।”

সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গড়সেকে ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদী বলে মন্তব্য করেন কমল হাসান। এরপরই ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর-সহ বিভিন্ন বিজেপি নেতারা নাথুরাম গডসের সমর্থনে মুখ খোলেন। নির্বাচনী জনসভা থেকে নাথুরামকে দেশপ্রেমী অ্যাখ্যা দিয়ে সাধ্বী প্রজ্ঞা বলেন, “নাথুরাম গডসে একজন দেশপ্রেমী ছিলেন, আছেন এবং আগামিদিনেও থাকবেন। যারা তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলছেন তাঁরা নিজেদের দিকে তাকিয়ে দেখুন। এই নির্বাচনে যোগ্য জবাব পেয়ে যাবেন।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন-‘গান্ধীজিকে অপমান করেছে, ক্ষমা করব না’, প্রজ্ঞার নিন্দায় সরব প্রধানমন্ত্রী]

বিজেপি নেতা অনন্তকুমার হেগড়ে বলেন, “গত সাত দশক ধরে নাথুরাম গডসেকে নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে তাতেই আমি খুশি।” বিজেপির এক সাংসদ নলিন কুমার কাটিল তো একধাপ এগিয়ে নাথুরাম গডসের সঙ্গে তুলনা করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর। টুইট করেন, “গডসে একজনকে খুন করেছিল, কাসভ ৭২ জনকে আর রাজীব গান্ধী ১৭ হাজার জনকে। তাহলে আপনারাই বিচার করুন এদের মধ্যে সবথেকে বেশি নিষ্ঠুর কে?”

[আরও পড়ুন- মোদির থেকে অমিতাভ বচ্চনকে প্রধানমন্ত্রী করা ভাল, মন্তব্য প্রিয়াঙ্কার]

বিজেপি নেতাদের এই মন্তব্যের পরেই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। নাথুরাম গডসেকে নিয়ে আলোচনা দলের ভাবমূর্তির ক্ষতি করছে দেখে আসরে নামে বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব। এই মন্তব্যগুলির সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তারা। সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বলেন, “এই ধরনের মন্তব্যগুলিকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না দল। এটা ওই নেতাদের ব্যক্তিগত মতামত। তবে কেন তাঁরা এই ধরনের মন্তব্য করলেন তা আগামী ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে দলকে জানাতে বলা হয়েছে।”

পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে প্রায় একই সুরে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করার জন্য সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুরকে কোনওদিন ক্ষমা করবেন না বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুক্রবার শেষ দফার প্রচারের অন্তিম লগ্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদি। এরপরই এই ঘটনাকে অভূতপূর্ব বলে কটাক্ষ করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। বলেন,”ভোট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার মাত্র চার-পাঁচদিন আগে সাংবাদিক বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। অভূতপূর্ব বিষয় হল, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন তিনি।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.