রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: দিঘার সমুদ্রে ফের প্রাণহানি এক পর্যটকের৷ পুলিশের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে মদ্যপ অবস্থায় উত্তাল সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যান ওই পর্যটক। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল তাঁর শিশুকন্যা। দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে মৃতের মেয়ের৷ শুক্রবার দুপুর একটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে সৈকত শহর দিঘার এক নম্বর ঘাটে।
[ আরও পড়ুন: বাংলার কোথাও দ্বিতীয়ও নয় বামেরা, জামানত খোয়ালেন ৪০ প্রার্থী]
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত পর্যটকের নাম শংকর দেব৷ বছর চুয়াল্লিশের ওই পর্যটক উত্তর ২৪ পরগনার নিউ বারাকপুর এলাকার বাসিন্দা। গুরুতর আহত তাঁর বছর পাঁচেকের শিশুকন্যা অত্রিকা দেব। গত বৃহস্পতিবার নিউ বারাকপুর থেকে সপরিবারে দিঘায় গিয়েছিলেন শংকর৷ উঠেছিলেন নিউ দিঘার একটি হোটেলে । শুক্রবার দুপুরের দিকে নিউ দিঘা থেকে স্নানের জন্য ওল্ড দিঘার কাছে এক নম্বর ঘাটে যান শংকর এবং তাঁর পরিজনেরা। অভিযোগ, শংকর ওল্ড দিঘার এক নম্বর ঘাটে কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং নুলিয়াদের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করেই মেয়ে অত্রিকাকে সঙ্গে নিয়েই সমুদ্রে স্নান করতে নেমে পড়েন। মদ্যপ অবস্থায় বেসামাল হয়ে উত্তাল সমুদ্রে জলের তোড়ে তলিয়ে যান তিনি। বিপদ বুঝে চিৎকার শুরু করেন আশেপাশের লোকরা৷ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছান নুলিয়া এবং সিভিক ভলেন্টিয়াররা৷ কোনওক্রমে সমুদ্রে নেমে দুজনকে উদ্ধার করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভরতি করা হয়। চিকিৎসকেরা শংকরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বর্তমানে অত্রিকা দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভরতি৷
[ আরও পড়ুন: চ্যালেঞ্জ পূরণে ব্যর্থ, ফল ঘোষণার পরদিনই পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ অনুব্রতর]
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।কিন্তু একের পর এক পর্যটকের মৃত্যুতে মাথাচাড়া দিয়েছে নানা প্রশ্ন। অতিরিক্ত মদ্যপান নাকি উদাসীনতার জেরেই প্রাণহানি হল পর্যটকের সেকথাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে৷ পাশাপাশি মদ্যপ পর্যটককে কেন সমুদ্রে নামতে দেওয়া হল, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷