Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
গুজরাট

ননদের সঙ্গেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পাত্রী! জানেন কোথায় ঘটে এমন?

এই নিয়ম মেনেই সুখ আসে দাম্পত্য জীবনে, বিশ্বাস গ্রামবাসীদের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৯, ১৬:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৯, ১৬:০৭

options
link
ননদের সঙ্গেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পাত্রী! জানেন কোথায় ঘটে এমন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বিয়েতে কতই না নিয়ম রয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষজন বিভিন্ন রীতি মেনে বিয়ের আসরে বসেন। কিন্তু এমন নিয়ম হয়তো আগে কেউ শোনেননি, যা এই গ্রামে হয়। কী সেই নিয়ম? কোথায়ই বা সেই গ্রাম? জানলে অবাক হবেন আপনিও। গ্রাম রয়েছে আপনার দেশেই। গুজরাটে এমন তিনটি গ্রাম রয়েছে, যেখানে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দু’জন মহিলা। যদিও বিবাহিত জীবনযাপন করেন না তাঁরা৷ 

[আরও পড়ুন:   আরও বিপাকে রাজীব কুমার, তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি অভিবাসন দপ্তরের ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গুজরাটের প্রত্যন্ত এলাকায় রয়েছে সুরখেদা, সানাদা ও অম্বাল গ্রাম। উপজাতি অধুষ্যিত এই এলাকায় বিয়েতে অনুপস্থিত থাকেন পাত্র৷ এমনকী বিয়ের আসরের আশেপাশেও তাঁকে দেখা যায় না৷ এর থেকেও অদ্ভুত যা নিয়ম, তা হল পাত্রের অবিবাহিত বোনকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেন পাত্রী। এমনকী রীতি মেনে বিয়ের দিন সকাল থেকেই পাত্রের যা যা নিয়ম পালনের কথা, সেই সমস্তটাই পালন করেন তাঁর বোন। এরপর সময়মতো বরযাত্রীর সঙ্গেই কনের বাড়িতে হাজির হন পাত্রের বোন। সমস্ত নিয়ম মেনে পাত্রের বোনের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধেন পাত্রী। কিন্তু এই সময় পাত্রের ভূমিকা ঠিক কী?  না, কার্যত তাঁর কোনও ভূমিকাই নেই। তবে বিয়ের পোশাকে তৈরি থাকেন তিনি। কিন্তু থাকেন বাড়িতেই, মায়ের সঙ্গে। বোনই বিয়ে করে তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে হাজির হন বাড়িতে।

[আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কা থেকে সমুদ্রপথে ঢুকছে আইএস জঙ্গি! কেরল উপকূলে জারি হাই অ্যালার্ট]

কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত নিয়ম?  গুজরাটের ওই গ্রামগুলির বাসিন্দাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই নিয়মই সংসার জীবনে খুশি বয়ে নিয়ে আসে। তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই প্রথার অন্যথা হলে পরিবারে নেমে আসবে কোনও বিপদ। অঘটন ঘটবে সদস্যদের জীবনে। নয়তো বা বিচ্ছেদ হয়ে যাবে দম্পতির। তাই এসব সমস্যা এড়াতেই দীর্ঘদিন ধরে এই তিন গ্রামের ছেলেদের অবিবাহিত বোনেরাই তাঁদের ভাই বা দাদার জন্য বাড়িতে নতুন বউ নিয়ে আসেন। যদিও কবে থেকে এই রীতির প্রচলন হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এই তিন গ্রামের অভিনব রীতি নিয়ে কিন্তু অন্যদের উৎসাহের অন্ত নেই৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.