সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি কর্মীদের মারধর৷ আর এই রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত কলকাতার ট্যাংরা ও উল্টোডাঙ্গা৷ উভয়ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷ দুটি ঘটনায় জখম হয়েছে মোট চারজন বিজেপি কর্মী৷ এবং দুটি ঘটনাতেই দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল৷
[ আরও পড়ুন: বিধাননগরের কাউন্সিলরদের নিয়ে তৃণমূল ভবনে বৈঠক, ডাক পেলেন না মেয়র সব্যসাচী দত্ত]
জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে এলাকা দখল করাকে কেন্দ্র করে হঠাৎই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ট্যাংরা এলাকা৷ বিজেপির অভিযোগ, পাড়ায় ঢুকে তাঁদের উপর তাণ্ডব চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা৷ দলীয় সদস্য-সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়৷ বাড়ির যুবকদের মারধর করা হয়৷ বিজেপি করায় প্রাণনাশের হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দেওয়া হয়৷ রেয়াত করা হয়নি মহিলা-শিশুদেরও৷ এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার পরিস্থিতি৷ স্থানীয় সূত্রে খবর, হামলাকারীদের পালটা আক্রমণ করে বিজেপি৷ দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়৷ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে৷ অবশেষে পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্যাংরা থানা থেকে এলাকায় আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ তারাই দুপক্ষকে বুঝিয়ে এলাকার পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করে৷ সূত্রের খবর, ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে বিজেপির তিন কর্মী৷ এখনও এলাকায় পুলিশি টহল চলছে৷
[ আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় পুলিশি ধরপাকড়, গাঁজা-সহ ধৃত শিলাজিতের ছেলে ধী মজুমদার ]
কেবল ট্যাংরাই নয়, তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে একই ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে উল্টোডাঙ্গার বাসন্তি কলোনিতেও৷ সেখানেও বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে৷ কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে তৃণমূলকে৷ গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার এলাকায় সদস্য সংগ্রহ অভিযান চালাচ্ছিল তারা৷ সেই সময় তাঁদের উপর হামলা চালায় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী৷ ভেঙে দেওয়া হয় মঞ্চ৷ খুলে দেওয়া হয় দলীয় পতাকা ও মাইক৷ মারধর করা হয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের৷ ঘটনায় গুরুতর জখম হন এক বিজেপি কর্মী৷ ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ৷ সূত্রের খবর, ঘটনার প্রতিবাদে ইতিমধ্যে থানায় প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা৷ তাদের দাবি, পুলিশের অনুমতি নিয়ে সভার আয়োজন করলেও, অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে৷ সেজন্য দোষীদের যথাযথ শাস্তি দিতে হবে৷