সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে জামিন পেল জলপাইগুড়ি শিশু পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত জুহি চৌধুরি। সোমবার তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে, নিম্ন আদালতে তাকে প্রয়োজনমতো হাজিরা দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিম্ন আদালত এই জামিনের উপর কোনও শর্ত চাপালে, তা মানতে হবে বলেও জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
[আরও পড়ুন- আরও সংকটে কর্ণাটক সরকার, বিদ্রোহী বিধায়কদের ফেরাতে ইস্তফা সব মন্ত্রীর!]
২০১৬ সালে শিশু পাচার চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল বিজেপি সাংসদ রূপা গাঙ্গুলির ঘনিষ্ঠ জুহি চৌধুরি। এরপর থেকে জেলে ছিল সে। নিম্ন আদালতের কাছে বারবার জামিনের আবেদন জানিয়েও ব্যর্থ হন তার আইনজীবী। শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সোমবার শীর্ষ আদালতে জানায়, শিশু পাচার মামলার চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম নেই জুহির। তারপরও তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না। জুহি শুধুমাত্র বিমলা হোমের মালিক চন্দনা চক্রবর্তীকে বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও রূপা গাঙ্গুলির সঙ্গে আলাপ করিয়েছিল। এছাড়া এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনও যোগ নেই। তাই দু’বছর ধরে তাকে জেলবন্দি করে রাখার কোনও অর্থ হয় না।
তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, এই মামলার কয়েকজন সাক্ষী অভিযুক্ত জুহির আত্মীয়। তাই সে জামিন পেলে সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারে। যদিও তাঁদের এই যুক্তি মানতে চায়নি শীর্ষ আদালত।
[আরও পড়ুন- গণধর্ষণে বাধা দেওয়ায় কাটা হল কিশোরীর চুল, অভিযোগ নিতে টালবাহানা পুলিশের!]
২০১৫ সালের আগস্ট মাসে জলপাইগুড়িতে অবস্থিত বিমলা হোমে শিশুদের দত্তক প্রক্রিয়া নিয়ে নানা অনিয়ম নজরে আসে জেলা প্রশাসনের। ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডি-র হাতে। ফেব্রুয়ারি মাসে চন্দনা চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাকে জেরা করে জুহি চৌধুরির নাম জানা যায়। এরপরই গ্রেপ্তার হয় জুহি-সহ আরও পাঁচজন। এঁদের মধ্যে দু’জন সরকারি আধিকারিকও ছিল।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন