Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

বেশি সুখ দিয়েছে কে? পুলিশের প্রশ্ন ধর্ষিতাকে

স্বামীর জোরাজুরিতেই আগস্ট মাসে পুলিশে অভিযোগ জানাতে যান৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৬, ০৯:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৬, ০৯:০০

options
link
বেশি সুখ দিয়েছে কে? পুলিশের প্রশ্ন ধর্ষিতাকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গণধর্ষিতা হয়েছিলেন তিনি৷ অভিযোগ জানিয়ে সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হয়েছিলেন পুলিশের৷ কিন্তু সেখানে অপেক্ষা করছিল আরেক দফা অপমান৷ জেরায় পুলিশই জানতে চাইল, ধর্ষণের সময় কার সংসর্গ সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন তিনি! না বিশ্বাস হলে আবার পড়ুন৷ কারণ এই প্রশ্নের মুখোমুখিই হতে হয়েছে ধর্ষিতাকে৷

বেশ কয়েক মাসের পুরনো ঘটনা৷ কিন্তু প্রকাশ্যে এল বৃহস্পতিবার৷ সংবাদমাধ্যমের সামনে অপমানের কথা প্রকাশ করলেন ত্রিচূরের বাসিন্দা ওই নিগৃহীতা নিজেই৷ আগাগোড়া ওড়নায় মুখ ঢেকে সাংবাদিকদের শোনালেন নিজের অপমানিত হওয়ার কথা৷ প্রায় বছর দু’য়েক আগে, কর্মসূত্রে তাঁর স্বামী বাইরে ছিলেন সেই সময়ে তাঁর স্বামীর চার বন্ধু তাঁদের বাড়ি আসেন৷ তাঁরা সকলেই নিগৃহীতার পূর্বপরিচিত৷ স্বামী অসুস্থ, এই খবর দিয়ে অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নামে তাঁরা ওই মহিলাকে একটি গাড়িতে তোলেন৷ কিন্তু হাসপাতালের বদলে গাড়ি পৌঁছয় শহরের বাইরে নির্জন এলাকায়৷ সেখানে গাড়ির ভিতরই তাঁকে গণধর্ষণ করে ওই চার ব্যক্তি৷ যার মধ্যে একজন আবার ওই অঞ্চলের সক্রিয় রাজনীতিক৷ ঘটনায় তিনি এতটাই ভেঙে পড়েন যে স্বামীকেও সবকিছু জানাতে পারেননি৷ পরে স্বামী বাড়ি ফিরলে তাঁকে সব কথা জানান মহিলা৷ স্বামীর জোরাজুরিতেই আগস্ট মাসে পুলিশে অভিযোগ জানাতে যান৷ কিন্তু সেখানে অপেক্ষা করছিল আরেক দফা অপমান৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে চার অভিযুক্তকেই থানায় হাজির করা হলে উপস্থিত পুলিশকর্মীদের মধ্যে একজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘এদের মধ্যে কে আপনাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছিল?’ হকচকিয়ে যান ওই মহিলা৷ যাদের কাছে সাহায্যের প্রত্যাশা নিয়ে হাজির হয়েছেন তারাই এমন প্রশ্ন করে কী করে? অভিযোগে মহিলা জানিয়েছেন, তিনি বুঝতে পারেন, পুলিশ আসলে অভিযোগটা নিতেই চাইছে না৷ বরং উল্টে তাঁকেই চাপে ফেলতে চাইছে৷ একেই পুরনো অভিযোগ, তার উপর পুলিশের অসহযোগিতা৷ এমনকী পুলিশ তাঁকে চাপ দেয় অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্যও৷ বাধ্য হয়েই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন তিনি৷ কিন্তু এক সমাজকর্মী বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন৷ সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনিই ঘটনাটি পোস্ট করে দেন৷ যা নজরে পড়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের৷ তিনি নির্দেশ দেন বিষয়টি খতিয়ে দেখার এবং অভিযুক্ত ও পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.