সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে প্রায় সবাই চেনেন। কিন্তু, তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই চেনেন না একই নাম ও পদবিধারী অন্য এক যুবককে। যদিও নামের ফেরে জীবনটাই বদলে গিয়েছে
তাঁর। না তুলতে পারছেন মোবাইলের সিম, না ব্যবসা করার জন্য পাচ্ছেন কোনও ঋণ। ফলে জীবনটাই দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ওই যুবকের।
[আরও পড়ুন: সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ, আটক স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাধে মা]
অভাগা এই রাহুল গান্ধী ইন্দোরের অখণ্ড নগরের বাসিন্দা। ছোটবেলা অন্য শিশুদের মতোই জীবন কেটেছে তাঁর। কিন্তু, একটু বড় হতেই নাম ও পদবির জন্য প্রতিটি পদক্ষেপে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁকে। পড়াশোনা করার পরে কোথাও চাকরি জুটছিল না। তাই কিছুদিন আগে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেন রাহুল। তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। সেই অনুযায়ী কয়েকটি ব্যাংকের কাছে আবেদনও করেন। ব্যস ওই পর্যন্ত, সমস্ত শর্ত পূরণ করলেও তাঁকে ঋণ দিতে চাইছে কোনও ব্যাংকই। কিছুদিন আগে ইন্দোরের একটি ব্যাংকে ফোন করে ঋণের আবেদন করেছিলেন তিনি। প্রথমে ফোনের ওপার থেকে তাঁর সঙ্গে বেশ ভালভাবেই কথা বলছিলেন ব্যাংকের এক আধিকারিক। কিন্তু, নিজের নাম বলতেই রিসিভারের ওপ্রান্ত থেকে সজোরে হেসে ওঠেন ওই আধিকারিক। তারপর রাহুল গান্ধী কবে দিল্লি থেকে ইন্দোরে এলেন বলে ফোনটি কেটে দেন।
তবে শুধু ঋণই নয়, মোবাইল ফোনের সিম তুলতে গিয়েও একই সমস্যায় পড়তে হয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির নেমসেক-কে। কোনও টেলিকম কোম্পানিই ফোনের সিম দিতে চাইনি তাঁকে। কেউ কেউ আবার নিজের বদলে দাদার নামে সিম তোলার পরামর্শ দিয়েছে।
[আরও পড়ুন: উন্নাও কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব প্রিয়াঙ্কা, দেখতে যাচ্ছেন নির্যাতিতাকে]
এদিকে, বন্ধুরা সময়ে সময়ে এমন ঠাট্টা-ইয়ার্কি মারে যে বাড়ির বাইরে বের হতেই ইচ্ছা করে না তাঁর। আবার অপরিচিত লোকদের সামনে নিজের নাম বলতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। বাধ্য হয়ে নিজের পদবি বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের রাহুল গান্ধী। গান্ধীর জায়গায় মালব্য পদবি ব্যবহার করে নিজের জীবনের গতিপথ বদলাতে চাইছেন তিনি।