Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
অমিত শাহ

দ্রুত রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেতে পারে কাশ্মীর, সংসদে ইঙ্গিত অমিত শাহর

বিরোধীদের চাপে মাথা নোয়াল কেন্দ্র?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৯, ১৬:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৯, ১৬:৫৮

options
link
দ্রুত রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেতে পারে কাশ্মীর, সংসদে ইঙ্গিত অমিত শাহর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বিলোপ এবং জম্মু কাশ্মীরকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভেঙে দেওয়া। একদিনের এই জোড়া পদক্ষেপ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে কাশ্মীরের ভুগোল। ভূস্বর্গ এখন থেকে সরাসরি থাকবে দিল্লির নিয়ন্ত্রণে। যা নিয়ে তীব্র বিরোধিতা হয়েছে সংসদে। বিরোধীদের দাবি, যে যুক্তিতে সরকার কাশ্মীরকে পূর্ণরাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করেছে সেই যুক্তি দুর্বল ও গ্রহণযোগ্য নয়। বিরোধীদের সেই অভিযোগ পুরোপুরি না মানলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, কাশ্মীরকে যে পুর্ণরাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছে, তা স্থায়ী নয়, অস্থায়ী। কাশ্মীরের পরিস্থিতি যখনই স্বাভাবিক হবে তখনই তাঁকে আবার পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

[আরও পড়ুন: রাম মন্দির চত্বরে বিগত ৮৫ বছর পা পড়েনি মুসলিমদের, জানাল নির্মোহী আখড়া]

গতকালই জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল নামে একটি বিল রাজ্যসভায় পেশ করেন অমিত শাহ। যে বিলে পূর্ণ রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরকে দু’ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একটি ভাগ লাদাখ। লাদাখকে বিধানসভাহীন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরকে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা থাকবে। দিল্লির মতোই রাজ্য সরকারের হাতে নিরাপত্তা বা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধিকার থাকবে না। কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করার পিছনে কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সীমান্তের ওপার থেকে আসা সন্ত্রাসবাদীদের দৌলতে কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে আর্টিকল ৩৫এ থাকার ফলে কাশ্মীরে দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণ প্রবল রূপ নিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: তিন মাসের রসদ মজুত, ‘যুদ্ধ’ আবহে কাশ্মীরিদের আশ্বস্ত সেনা আধিকারিকদের]

বিরোধীদের দাবি, এই যুক্তিতে কোনও রাজ্যের রাজনৈতিক ক্ষমতা খর্ব করা যায় না। এভাবে কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা ছিনিয়ে নেওয়া মানে, কাশ্মীর বাসীর গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা। বিরোধীদের এই অভিযোগের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেন, “সময়ের প্রয়োজনে কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছে। যে মুহূর্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কাশ্মীরকে আবারও পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হবে। আমি সংসদকে আশ্বস্ত করতে চাই, এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। যত তাড়াতাড়ি কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তত তাড়াতাড়ি আমরা আবার রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেব। কাশ্মীর ভারতের মুকুটমণি। আগামী পাঁচ বছরে কাশ্মীর দেশের সেরা রাজ্য হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.