নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বীরভূমের আক্রান্ত এক তৃণমূল নেতা। রাতে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথে লোহার রড ও টাঙি দিয়ে তাঁকে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার স্ত্রী আবার পঞ্চায়েতের সদস্যা। ঘটনাটি ঘটেছে সাঁইথিয়ায়। এক বিজেপি সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
[ আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ বলা নিয়ে মদের ঠেকে ধুন্ধুমার, বাধা দিয়ে আক্রান্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে]
সাঁইথিয়ার হরিসরা পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা সুচিত্রা দাস। তাঁর স্বামী নয়ন হাজরাও এলাকায় দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, স্ত্রীর হয়ে এলাকায় উন্নয়নের যাবতীয় কাজ দেখভাল করেন নয়নই। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে যখন বাইকে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তাঁর উপর চড়াও হয় কয়েকজন দুষ্কৃতীরা। লোহার রড ও টাঙি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থা নয়ন ভরতি হাসপাতালে।
কিন্তু, তৃণমূল নেতা নয়ন হাজরাকে কারা মারধর করল? সাঁইথিয়া ব্লক তৃণমূল সাবের আলি খানের অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই নানা অছিলায় এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। দলের নেতার উপর হামলার চালিয়েছে গেরুয়া শিবির আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই বীরভূমে রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনা বেড়ে গিয়েছে। গ্রাম দখলকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দুই রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে লেগেই রয়েছে সংঘর্ষ। দিন কয়েক আগেই বীরভূমের লাভপুরে গভীর রাতে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমাবাজি হয়। লাগাতার অশান্তির ঘটনায় জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজনের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনও তৎপর। রোজই জেলার স্পর্শকাতর ব্লকগুলিতে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ প্রশাসন।