সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক কোন শতকে পাথর কেটে তৈরি হয়েছিল এই অনুপম গুহামন্দির, তা নিয়ে বিতর্ক মিটতেই চায় না! কেউ বলেন ষষ্ঠ শতকে, কেউ বা আবার দাবি তোলেন অষ্টম শতকের দিকে!
উৎপত্তি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ধ্বংস নিয়ে কিন্তু কারও মনেই সন্দেহ নেই। পরিবেশবিদ এবং বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ একটু একটু করে বাড়তে থাকার জন্য ধ্বংসের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে এলিফ্যান্টার গুহামন্দির।

ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভুক্ত এলিফ্যান্টায় সব মিলিয়ে ৭টি গুহামন্দির রয়েছে। সবকটিই নিবেদিত ভগবান শিবের উদ্দেশে। পাথর কেটে তৈরি এই গুহামন্দিরগুলির গায়েও রয়েছে শিব-সংক্রান্ত নানা পুরাণভিত্তিক ঘটনার ভাস্কর্য। তবে, কত দিন আর তা থাকবে, সেটাই এখন প্রশ্ন!

এলিফ্যান্টার গুহামন্দির মুম্বইয়ের একটি দ্বীপে অবস্থিত। ফলে, সমুদ্রের থেকে ক্ষতির আশঙ্কা তার বরাবরই ছিল। তবে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচুতে থাকায় এত দিন ব্যাপারটা নিয়ে কেউ সে ভাবে মাথা ঘামাননি!

এবার কিন্তু নড়ে-চড়ে বসেছেন পরিবেশবিদরা। তাঁরা জানিয়েছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ যত উঁচু হবে, তত বাড়বে ক্ষতির পরিমাণ। এমনিতেই সমুদ্রের লোনা হাওয়ায় ক্ষয় পেয়েছে অনেক ভাস্কর্য। বেশ কিছু ভেঙে গিয়েছে। অধিকাংশেরই চোখ-মুখ স্পষ্ট বোঝা যায় না। এরকম ভাবেই চলতে থাকলে এক দিন সত্যিই সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে যাবে এলিফ্যান্টার গুহামন্দির! হারিয়ে যাবে ভারতের অতীত গৌরব।
সেই দিন আসার আগেই একবার ঘুরে এলে হয় না?