Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
রেশন কার্ড

‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’-এর কাজে এত পিছিয়ে কেন? রাজ্যকে তোপ কেন্দ্রের

দুর্নীতি রুখতে দ্রুত এক দেশে এক রেশন কার্ড চালু করতে চায় কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৯, ০৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৯, ০৯:৪০

options
link
‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’-এর কাজে এত পিছিয়ে কেন? রাজ্যকে তোপ কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কদিন আগেই রাজ্য বিধানসভায় পরিচয়পত্রের জন্য আলাদা রেশন কার্ড তৈরির প্রস্তাব উঠেছিল। সরকারি সূত্রের খবর, এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রীও। তিনিও চান, যদি পরিচয়পত্র হিসেবে আলাদা রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করা যায়! আসলে এনআরসির পর অনেকের মনেই পরিচয়পত্র নিয়ে ভয় ঢুকে গিয়েছে। তাই এই ব্যবস্থার কথা ভাবছে রাজ্য। কেন্দ্রের অবস্থান আবার সম্পূর্ণ উলটো। কেন্দ্র চায়, দেশের সব রাজ্যের একটাই রেশন কার্ড হোক। যা কিনা দেশের যে কোনও প্রান্তে ব্যবহার করা যাবে। এই কর্মসূচির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড।’ আগামী বছর জুন মাসের মধ্যেই এই প্রকল্প চালু করতে চাই কেন্দ্র। সমস্যা হল, এই কর্মসূচিতে অন্য রাজ্যের তুলনায় খানিকটা হলেও পিছিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। আর তাতেই ক্ষুব্দ কেন্দ্রীয় খাদ্য, ক্রেতা সুরক্ষা এবং গণবন্টন মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান।

[আরও পড়ুন: আর কোনও প্রশ্ন নেই, তবুও দু’দিনের জন্য সিবিআইয়ের ‘অতিথি’ চিদম্বরম]

মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত বৈঠকে অন্য রাজ্যের মন্ত্রীদের সামনেই রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে তোপ দাগেন রামবিলাস। তাঁর প্রশ্ন, “এক দেশ-এক রেশন কার্ড প্রকল্প চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ার কাজে পশ্চিমবঙ্গ এত পিছিয়ে কেন? গুজরাট, তামিলনাড়ু, লাক্ষাদ্বীপ-সমেত ১৪টি রাজ্যে ১০০% রেশন দোকানে পস(POS) মেশিন পৌঁছেছে। সিকিম, কর্নাটক, রাজস্থানে তার হার ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে তা মাত্র ৭৭%। পিছনে উত্তরাখণ্ড (৩৩%), বিহার (১৫%) আর উত্তর-পূর্বের কয়েকটি রাজ্য। বারবার হলা সত্ত্বেও কাজ এত পিছিয়ে কেন?”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পুরনো অভ্যাস! বিজেপি দপ্তরকে তৃণমূল ভবন বলে বসলেন মুকুল]


প্রশ্নের উত্তরে ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী পালটা তোপ দাগেন কেন্দ্রকে। তাঁর বক্তব্য কেন্দ্র শুধু মুখেই পরিকাঠামো তৈরির কথা বলছে। অথচ, এর জন্য প্রয়োজনীয় টাকা কেন্দ্র থেকে আসছে না। অন্যদিকে, রাজ্যের সচিব জানিয়েছেন, রাজ্যের সব রেশন দোকানেই মেশিন পৌঁছেছে। লাগানোর কাজও শুরু হয়েছে। এ মাসের মধ্যেই তা শেষ হবে। আসলে ‘এক দেশ এক রেশন’ কার্ডের লক্ষ্যপূরণ করতে হলে দেশের সব রেশন দোকানে পস মেশিন বসানো জরুরি। যাতে আঙুলের ছাপ যাচাইয়ের বন্দোবস্ত থাকে। সেই সঙ্গে মজুদ এবং সরবরাহ মালের হিসেব রাখার জন্য স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল বন্দোবস্ত জরুরি। কেন্দ্রের অভিযোগ, এই দুই ক্ষেত্রেই পিছিয়ে রাজ্য।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.