Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বিদেশিনীকে ধর্ষণ

ভিসার টোপ দিয়ে বিদেশিনীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধৃত উত্তরপ্রদেশের ২ পুলিশকর্মী

ধর্ষণের ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগও উঠেছে ধৃতদের নামে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ১৮:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ১৮:০৯

options
link
ভিসার টোপ দিয়ে বিদেশিনীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধৃত উত্তরপ্রদেশের ২ পুলিশকর্মী zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ধর্ষণের অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশে। এবার এক বিদেশিনীকে ভিসা মেয়াদ বৃদ্ধির টোপ গিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে ধরা পড়ল দুই পুলিশকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মথুরা শহরে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ধৃতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: ‘এভাবেও ফিরে আসা যায়’, হাজারও ব্যর্থতা সামলে সাফল্যের আশায় বুক বাঁধছে ইসরো]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিরগিজস্তানে বাসিন্দা ওই যুবতীর কয়েকমাস আগে উত্তরপ্রদেশের হাতেরাস শহরের এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয়। পরে তাঁরা বিয়েও করেন। সম্প্রতি ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ফুরিয়ে যাওয়া ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছিলেন যুবতীটি। সেই সূত্রে অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ওই পুলিশকর্মী তাঁকে ভিসার মেয়াদবৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বস্ত করে লখনউয়ে নিয়ে যায়। তারপর সেখানে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের ঘটনার ভিডিও করে রাখে। বিষয়টি পুলিশকে জানালে যুবতীকে প্রাণ মারার হুমকিও দেয়। বিষয়টি এখানেই শেষ হয় না। কয়েকদিন বাদে মথুরায় ফিরে ধর্ষণের সময় তুলে রাখা ভিডিও দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। ওই যুবতীকে মথুরার একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে এক সহকর্মীর সঙ্গে ফের ধর্ষণ করে। সুযোগ পেয়ে ওই হোটেল থেকে পালিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা। সমস্ত ঘটনা জানিয়ে ওই দুই পুলিশকর্মীর নামে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করে মথুরা থানার পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। নির্যাতিতারও মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: একা ভারত নয়, চাঁদে নামার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ]

ঘটনাটির কথা প্রকাশ্যে আসার পরে যোগী প্রশাসনের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের তরফে অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উলটো। প্রথমে বিধায়ক কুলদীপ সেনেগার তারপর প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী চিন্ময়ানন্দ। আর এবার দুই পুলিশকর্মী। বারবার প্রশাসনের সঙ্গে জড়িত লোকজনের নামে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগ তারই প্রমাণ দিচ্ছে। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.