সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ড্রোন হামলার জেরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হল সৌদি আরবের দুটি তেল কারখানায়। শনিবার ভোরে হামলা হয়েছে সৌদি আরবের পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আবকাইক ও খুরাইস প্রদেশে। এর ফলে সেখানে আগুন লেগে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তেল কারখানা দুটি ছিল সৌদি আরবের সরকারি কোম্পানি আরামকোর। যে সংস্থাটি হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি।
[আরও পড়ুন: বদ্ধ ঘরে লাস্যময়ীর সঙ্গে উদ্দাম যৌনতা, হৃদরোগে মৃত্যু ব্যক্তির]
সৌদি আরব প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর চারটে নাগাদ আচমকা সৌদির পূর্বপ্রান্তে অবস্থিত আরামকোর হেডকোয়ার্টার ধারান থেকে ৬৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে আবকাইকের কারখানায় ড্রোন হামলা হয়। কিছুক্ষণ পরে খবর আসে একইরকম ভাবে হামলা হয়েছে খুরাইস প্রদেশের কারখানাতেও। ড্রোন হামলার পরেই দুটি কারখানাতে আগুন লেগে যায়। সেখানকার নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে আগুন নিভিয়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের অক্লান্ত চেষ্টায় দীর্ঘক্ষণ পরে কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও জঙ্গিগোষ্ঠী দায়ভার স্বীকার করেনি। উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে। দোষী চিহ্নিত হলে হামলাকারীদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
ওই তেল কারখানাদুটি থেকে কিছুটা দূরে থাকা হাইওয়েতে দাঁড়িয়ে আগুনের ভিডিও তুলেছেন নেটিজেনরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আগুনের শিখায় কারখানার আশপাশ এলাকা আলোকিত। আর চারিদিকে ধোয়ার কুণ্ডলী উঠছে।
[আরও পড়ুন: ব্রাজিলে ফিরল কলকাতার স্মৃতি, হাসপাতালে ভয়াবহ আগুনের গ্রাসে অন্তত ১০]
সৌদি প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত এই হামলার জন্য কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি। কিন্তু নরওয়ের একটি বিমা কোম্পানির দাবি, এই হামলার সঙ্গে পারস্য এলাকায় ঘটে যাওয়া ইরান এলিট রেভুলেশনারি গার্ডদের হামলার মিল আছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সৌদির সরকারি কোম্পানি আরামকো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন ৭০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে থাকে। সারা বিশ্বে সৌদি আরব যে তেল রপ্তানি করে তা আরামকোই পরিশোধন করে।
🔴 القوات اليمنية تشن غارات بعدد كبير من الطائرات المسيرة على معامل #بقيق في إقليم شرق الجزيرة العربية المُحتل.
— قناة أحرار (@QanatAhrar) September 14, 2019