সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনে ড্রোন ওড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল দু’জনকে। ধৃত দুই ব্যক্তি মার্কিন নাগরিক। তাদের নাম পিটার জেমস লিয়ান ও গুইলায়ুম লিডবেটার লিয়ান। প্রথমজনের বয়স ৬৫ বছর, দ্বিতীয়জনের ৩০ বছর। সম্পর্কে তারা বাবা ও ছেলে। দিন দুই আগেই তাদের দিল্লি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আপাতত তাদের পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে বলে খবর।
রাষ্ট্রপতি ভবন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। তাই এর উপর বা কাছাকাছি ড্রোন ওড়ানো আইনত নিষিদ্ধ। এমনকী দেশের রাজধানী হওয়ার কারণে দিল্লির যে কোনও জায়গাতেই ড্রোন ওড়ানো যায় না। তাই দুই মার্কিন নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার উপর পুলিশ ওই দু’জনকে হেফাজতে নেওয়ার পর তাদের কাছ থেকে কিছু ফটোগ্রাফ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবিগুলি কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও তার কাছাকাছি এলাকার। কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও সেখানে ড্রোন পাঠিয়ে ভিডিও তুলেছে ওই দুই মার্কিন নাগরিক। এমনকী তাদের কাছ থেকে সংসদ ভবনেরও ড্রোন থেকে তোলা ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। এই নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
[ আরও পড়ুন: ‘নাগরিক না হলে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত’, বিস্ফোরক দ্বারকার শংকরাচার্য ]
যদিও জেরায় তারা জানিয়েছে, একটি অনলাইন পোর্টালে কাজ করে তারা। সেই পোর্টালের জন্যই রাষ্ট্রপতি ভবন ও কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের ভিডিও তুলেছে। দিল্লিতে যে ড্রোন নিষিদ্ধ, তা তারা জানত না। তাই রাষ্ট্রপতি ভবন, কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও সংসদ ভবনের ভিডিও তুলেছে তারা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ১৪ সেপ্টেম্বর মধ্য দিল্লি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও এখনও সন্দেহজনক কিছু তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্ন রয়েছে একাধিক। বেশিরভাগ দেশের প্রশাসনিক কার্যালয়ের কাছাকাছি বা উপরে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ। দিল্লিতেও সেই নিয়মই চালু রয়েছে। অনলাইন পোর্টালের হয়ে কাজ করলে এই তথ্যগুলি দুই বিদেশির জানা উচিত। তাও কেন রাষ্ট্রপতি ভবন-সহ দুই জায়গায় ড্রোন ওড়াল তারা, তা পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। তাই জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে কি ওই দুই ব্যক্তি আমেরিকার হয়ে নজরদারি চালাচ্ছে? ক্রমশ জোরদার হচ্ছে সেই প্রশ্ন।
[ আরও পড়ুন: ‘অচিরেই টুকরো হবে পাকিস্তান’, ইমরানের পরমাণু হুমকির পালটা জবাব রাজনাথের ]
Delhi Police have taken a father-son duo into custody for flying drone near Rashtrapati Bhavan on September 14. Both are United States citizens. Further investigation underway. pic.twitter.com/8RqrjefMgM
— ANI (@ANI) September 16, 2019