Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

বিশ্বভারতীর ছাত্রাবাসে মদের আসর, গ্রেফতার ৭ পড়ুয়া

হস্টেলের উপরের ও নিচের ঘরগুলি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় শ’খানেক খালি মদের বোতল৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০১৬, ১৪:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০১৬, ১৪:৫৭

options
link
বিশ্বভারতীর ছাত্রাবাসে মদের আসর, গ্রেফতার ৭ পড়ুয়া zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: ফের কালিমালিপ্ত কবিগুরুর বিশ্বভারতী৷ মঙ্গলবার রাতে ‘অপূর্ব ছাত্র নিবাস’ থেকে মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়ে বিশ্বভারতীর সাত পড়ুয়া৷ জানা গিয়েছে, আশ্রম এলাকা ও ছাত্র কল্যাণ অফিস থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে এই অপূর্ব ছাত্র নিবাস৷ অভিযোগ, গত ছ’-সাত মাস ধরেই পরিত্যক্ত ওই ছাত্র নিবাসে রাতের বেলায় বেপরোয়া মদের আসর বসছিল৷ তারই ভিত্তিতে এদিন বিশ্বভারতীর নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীরা সেখানে তল্লাশি চালায়৷ হাতেনাতে ধরা পড়ে চার ছাত্র ও তিন ছাত্রী৷ এদের মধ্যে একজন সংগীত ভবনের, একজন বিনয় ভবনের ও বাকিরা বিদ্যাভবনের ছাত্রছাত্রী৷ বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে দু’জন ছাত্রকে শোকজ নোটিস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

জানা গিয়েছে, ওই পরিত্যক্ত ছাত্র নিবাসে যে দীর্ঘদিন ধরে মদের আসর বসছিল তার প্রমাণ মিলেছে সর্বত্র৷ হস্টেলের উপরের ও নিচের ঘরগুলি থেকে প্রায় শ’খানেক খালি মদের বোতল উদ্ধার করেছেন নিরাপত্তা কর্মীরা৷ এছাড়াও ঘরের মেঝেতে ছড়ানো ছিল চানাচুর, বাসি মাংসের টুকরো-সহ অন্যান্য খাদ্যবস্তু৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে এই হস্টেলটির পরিকাঠামোগত ত্রুটি ধরা পড়ায় এটিকে খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ৷ তবে নিচের দু’টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছিল বিশ্বভারতীতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জেলা পুলিশের চার এনভিএফ কর্মীর থাকার জন্য৷ অভিযোগ, হস্টেল খালি করার নোটিস আসতেই নিচের দু’টি ও উপরের দু’টি ঘরের দখল নেয় বিশ্বভারতীর কিছু ছাত্রছাত্রী৷ প্রশ্ন উঠেছে, হস্টেলে এনভিএফ কর্মীরা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ছাত্রছাত্রীরা অবাধে সেখানে মদ্যপান করত বা রাত কাটাত? তবে কি এতে এনভিএফ কর্মীদেরও প্রশ্রয় ছিল?

এই অভিযোগ অস্বীকার করে বুধবার সকালে এনভিএফ কর্মীরা জানান, এ ব্যাপারে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হয়েছিল৷ তা সত্ত্বেও তারা এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি৷ এদিন রাতে পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় তড়িঘড়ি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠায়৷ তবে এদিন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অমিত হাজরা জানান, “হস্টেলটিকে আগেই পরিত্যক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল৷ শুধু কয়েকজন এনভিএফ কর্মী ওখানে থাকতেন৷ কাল রাতে ঠিক কী হয়েছিল, তা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি৷”

এদিকে বুধবার সকালে অপূর্ব ছাত্র নিবাসে গিয়ে দেখা যায়, হস্টেলের ঘরগুলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে ভাঙা মদের বোতল৷ তারই মধ্যে বিশ্বভারতীর নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষীদের তত্ত্বাবধানে কয়েকজন ছাত্র তাদের বিছানাপত্র নিয়ে হস্টেল ছেড়ে চলে যাচ্ছে৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.