সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খারিজ হয়ে গেল আইপিএস আধিকারিক এসএমএইচ মির্জার জামিনের আবেদন। উলটে তাঁকে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল বিশেষ সিবিআই আদালত। সোমবার আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
[আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোয় ‘বঙ্গপ্রয়াস’-এর প্রচার ভিডিওতে সম্প্রীতির বার্তা, মন ছুঁয়েছে সবার]
নারদকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। এরপর বিশেষ সিবিআই আদালতে তুলে তাঁকে পাঁচদিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় তারা। সেই আবেদন মেনে তাঁকে সোমবার পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এরই মাঝে গত শনিবার দুপুরে নিজাম প্যালেসে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের মুখোমুখি বসিয়ে তাঁকে প্রায় তিনঘণ্টা জেরা করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। আর রবিবার তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মুকুল রায়ের এলগিন রোডের ফ্ল্যাটে। সিবিআইকে মির্জা জানিয়েছিলেন, মুকুল রায়কে তিনি এই ফ্ল্যাটে এসে টাকা দিয়েছিলেন। তাই গতকাল ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে তাঁকে দিয়ে সেই ঘটনার পুর্ননিমার্ণ করান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। পুরো ঘটনাটির ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখা হয়। যদিও পরে এই প্রসঙ্গে মুকুল রায় বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন মমতা।আমি কারও থেকে কোনও টাকা নিইনি।’
এরপর সোমবার মির্জাকে আদালতে তুলে জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। যদিও এই আবেদনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠেন মির্জার আইনজীবীরা। বিচারককে তাঁরা বলেন, ‘আমাদের মক্কেল সবরকম সহযোগিতা করছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকদের সঙ্গে। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক।’ কিন্তু সিবিআইয়ের আইনজীবীরা জানান, আইপিএস আধিকারিক এসএমএইচ মির্জা একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হলে তিনি তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারেন। উভয়পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল শোনার পরে, পুলিশকর্তা এসএমএইচ মির্জাকে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক।
[আরও পড়ুন:সত্যি হল জল্পনা! অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সব্যসাচী]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন