সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাত্মা গান্ধীর আইন অমান্য আন্দোলন বন্ধ হওয়ার কারণ ছিল চৌরিচৌরা থানা। সেখানকার পুলিশ কর্মীদের অত্যাচারে ক্ষিপ্ত হয়ে থানা সমেত তাদের জীবন্ত জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। এর জেরে ওই আন্দোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন গান্ধীজি। ১৯২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারির সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ৯৮ বছর। আজ ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের শেষদিকে এসে ফের খবরের শিরোনামে এল সেই চৌরিচৌরা থানা। পারিবারিক অশান্তির জেরে নিজের ছেলেকে ওই থানার মধ্যেই গুলি করে খুন করল পুলিশকর্মী বাবা।
[আরও পড়ুন: ভোটে হেরে কেঁদে ফেললেন পঙ্কজা মুণ্ডে! জেনে নিন আসল তথ্য]
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের চৌরিচৌরা পুলিশ স্টেশনে কর্মরত হেড কনস্টেবল অরবিন্দ যাদব দুটি বিয়ে করেছিল। দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সে চৌরিচোরা এলাকায় থাকলেও প্রথম স্ত্রী ও ছেলে বিকাশ যাদব থাকত উত্তরপ্রদেশের গাজীপুরে এলাকা। মাঝে মাঝে সংসার চালানোর জন্য টাকা পাঠালেও কোনও কোনও সময় টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিত অরবিন্দ। বিষয়টি নিয়ে প্রথম স্ত্রী ও ছেলে বিকাশের সঙ্গে অনেক সময় তার ঝগড়াও হয়েছে। কিন্তু, তারপরও সে ঠিকঠাক টাকা পাঠাত না বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার সেইরকম কিছু পারিবারিক বিষয়ে নিয়ে বাবার সঙ্গে কথা বলতে চৌরিচৌরা থানায় আসে বিকাশ। প্রথমে ঠান্ডা মাথায় আলোচনা চললেও পরে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আর এই সময়েই আচমকা ছেলে বিকাশকে নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি করে অরবিন্দ। বিষয়টি দেখতে পেয়ে অন্য পুলিশ কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে বিকাশকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু, সেখানকার ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
[আরও পড়ুন:দিওয়ালিতে নাশকতার ছক, দিল্লিতে জঙ্গিদের নিশানায় সেনা-RAW কার্যালয়]
এপ্রসঙ্গে চৌরিচৌরা থানার সার্কেল অফিসার সুমিত শুক্লা বলেন, অরবিন্দ তাঁর ছেলের সঙ্গে ঝগড়া করার সময় আচমকা গুলি চালিয়ে দেয়। এর ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়ে তার ছেলে বিকাশ যাদবের। এরপরই অরবিন্দের সার্ভিস রিভলভারটি বাজেয়াপ্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন