সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুলবুলের দাপট ফিকে হওয়া মাত্রই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। সকাল এবং রাতে হালকা শিরশিরানি ভাব উপভোগ করছেন আমজনতা। এখন প্রশ্ন একটাই, কবে পড়বে জাঁকিয়ে শীত? তবে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী এখনই হাড়কাঁপুনি দেওয়া শীতের কোনও সম্ভাবনা নেই। তা আসতে সময় লাগবে বেশ খানিকটা।
তিলোত্তমায় লেগেছে হিমের পরশ। একেবারে ভোরে হালকা কুয়াশাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সকালের দিকে হালকা রোদে পিঠ সেঁকতেও বিশেষ সমস্যা হচ্ছে না শীতবিলাসীদের। ঘরে ফ্যানের বেশিরভাগ দিনই ছুটি থাকছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সকাল এবং সন্ধের পর থেকে কমছে তাপমাত্রার পারদ। আপাতত কয়েকদিন সারাদিনের দুই বেলায় এমনই আরামদায়ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রার পারদ চড়বে। এমনকি বজায় থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। তার ফলে বেলার দিকে বাড়ি থেকে বেরোলে হালকা গরম অনুভব হতে পারে।
তবে শীতবিলাসীরা হালকা শীতে সন্তুষ্ট নন। পরিবর্তে তাঁরা চান জাঁকিয়ে শীতের আমেজ। মাঝ নভেম্বরেই মোটামুটি প্রবল শীতের অনুপস্থিতিতে হাঁফিয়ে উঠেছেন তাঁরা। যদিও হাওয়া অফিসের তরফে এখনও কোনও সুখবর শোনাতে পারা যায়নি। কারণ নতুন একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা শীতের আগমনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই ঘূর্ণাবর্ত কেটে গেলেই জাঁকিয়ে শীত পড়তে পারার সম্ভাবনার কথা শুনিয়েছেন আবহবিদরা। তবে কবে ঘূর্ণাবর্ত কাটবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও আশার বাণী শোনাতে পারেনি আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।
[আরও পড়ুন: গ্রামের খালেই সাঁতরে বেড়াচ্ছে ডলফিন! ভাইরাল ভিডিও]
বর্তমানে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা বেশ কিছুটা কম। আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।