Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেটা সায়েন্টিস্ট

বিস্ময় বালক! সফটওয়্যার কোম্পানিতে ডেটা সায়েন্টিস্ট পদে চাকরি পেল ১২ বছরের খুদে

বাবাই অনুপ্রেরণা, জানাল খুদে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৯, ১২:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৯, ১২:৪২

options
link
বিস্ময় বালক! সফটওয়্যার কোম্পানিতে ডেটা সায়েন্টিস্ট পদে চাকরি পেল ১২ বছরের খুদে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অদ্ভুত, অবিশ্বাস্য, বিস্ময় বালক। কোন বিশেষণে ভূষিত করা যাবে ১২ বছরের এই খুদেকে? বলা কঠিন। কারণ আমআদমি যা হয়তো কল্পনাও করতে পারেন না, এই বয়সেই তা করে ফেলেছে এই খুদে চ্যাম্পিয়ন। গোটা দেশকে অবাক করে সপ্তম শ্রেণির এই ছাত্র সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরির ডাক পেয়েছে!

হ্যাঁ। ঠিকই পড়েছেন। হায়দরাবাদের নামী সফটওয়্যার কোম্পানি মনটেনি স্মার্ট বিজনেস সলিউশন থেকে ডাক পেয়েছে ১২ বছরের সিদ্ধার্থ শ্রীবাস্তব পিল্লি। তাও আবার যে সে পদে নয়, ডেটা সায়েন্টিস্ট হিসেবে। স্বাভাবিকভাবেই কিশোরের প্রতিভায় মুগ্ধ পরিবার ও তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শ্রী চৈতন্য স্কুল। কোম্পানি থেকে ডাক পেয়ে উচ্ছ্বসিত সিদ্ধার্থ নিজেও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৩ বছরেই মুখস্থ দেশ-বিদেশের রাজধানীর নাম, অবাক করছে খুদের কীর্তি]

সোমবার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে সে বলে, “আমার বয়স ১২। মনটেনি স্মার্ট বিজনেস সলিউশন কোম্পানিতে ডেটা সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করি। শ্রী চৈতন্য টেকনো স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র আমি। সফটওয়্যার কোম্পানিতে আমায় যোগ দিতে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন তন্ময় বকসি। খুব অল্প বয়সে ওঁ একজন ডেভেলপার হিসেবে গুগলে চাকরি পেয়েছিলেন। গোটা দুনিয়াকে এখন ওঁ বোঝাচ্ছেন, আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স ক্যামেরার (এআই) গুরুত্ব ও সৌন্দর্যের কথা।”

ছোটবেলা থেকে বাবার হাত ধরেই সফটওয়্যারে আগ্রহ জন্মায় সিদ্ধার্থের। খুব অল্প বয়স থেকে কোডিংয়ের প্রতি ভালবাসা জন্মেছিল। তাই আজ দক্ষতার নিরিখে বড়দেরও টেক্কা দিতে সফল হয়েছে সে। এই বয়সেই সাফল্যে শিখর ছুঁয়ে বাবাকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিদ্ধার্থ বলে, “এই বয়সে আমাকে যিনি এমন একটা চাকরি পেতে সাহায্য করেছেন, তিনি আমার বাবা। ওঁর কাছেই কোডিং শিখি। নানা আত্মজীবনী পড়তে বলতেন বাবা। আজ যা কিছু হতে পেরেছি, সব বাবার জন্যই।” বিস্ময় বালক সিদ্ধার্থকে থেকে অনুপ্রেরণা পাবে বাকি পড়ুয়ারাও। আশা শ্রী চৈতন্য স্কুলের শিক্ষকদের।

[আরও পড়ুন: আবেগ-প্রযুক্তির মিশেলে নয়া যন্ত্র, চালককে সতর্ক করে দুর্ঘটনা রুখবে খুদে বিজ্ঞানীর আবিষ্কার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.