সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে, রাজস্থানের পর এবার গুজরাট। খোদ প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে এবার শিশু মৃত্যুর হার ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বছরের শেষ মাসে এই রাজ্যের দুই সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক শিশুর। বিতর্ক এড়াতে হাসপাতাল কর্তাদের সাফাই, উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকায় সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।
জানা গিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে রাজকোট সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় ১১১টি শিশুর। তার আগে নভেম্বর ও অক্টোবর মাসে ৮৭টি ও ৭১টি শিশুর মৃত্যু হয়। একই ছবি আমেদাবাদের সরকারি হাসপাতালেও। হাসপাতালের সাফাই, চিকিৎসার উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে রাজকোট সরকারি হাসপাতালের প্রধান মণীষ মেহতা বলেন, “হাসপাতালে প্রচুর রোগী আসে। কিন্তু তাঁদের চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। তাই শিশু মৃত্যু হার এত বেশি। সেই কথা মাথায় রেখেই নতুন ৫০০ শয্যার ভবন তৈরির কাজ শুরু করেছে সরকার।
[আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে বেশিরভাগ বড় মন্ত্রক পেল এনসিপি, ক্ষোভে পদত্যাগ আরও এক বিধায়কের]
এদিকে আমেদাবাদ হাসপাতালের শিশু মৃত্যু হার দেখে চোখ কপালে উঠেছে আমজনতার। সরকারি হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ডিসেম্বরেই এই হাসপাতালে ৮৫টি শিশু মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৪৫৫টি শিশু সদ্যোজাতদের মধ্যে ৮৫জন মারা গিয়েছে। হাসপাতালের সুপারিনন্টেন্ডেন্ট জিএস রাঠোর জানান, “গুজরাটের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের এই হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে। কিন্তু এই হাসপাতালে সমস্ত ধরণের সুযোগ-সুবিধা নেই।NICO, PICO-র সুবিধা নেই। তাই উপযুক্ত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।” কিন্তু সরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর হার দেথে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইতিপূর্বে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়। কয়েকদিন আগে রাজস্থানের জেকে লোন হাসপাতালেও শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়। ওয়াকিবহাল মহলের অভিযোগ, সরকার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জেরে এধরণের ঘটনা ঘটছে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন