Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ঐশী ঘোষ

জেএনইউ কাণ্ডে নয়া মোড়, আক্রান্ত ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধেই মামলা দিল্লি পুলিশের

এফআইআর দায়ের হয়েছে ঐশীর ৮ সঙ্গীর বিরুদ্ধেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২০, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২০, ১২:০৬

options
link
জেএনইউ কাণ্ডে নয়া মোড়, আক্রান্ত ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধেই মামলা দিল্লি পুলিশের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন উলটপূরাণ। দুষ্কৃতীদের হামলায় যে ঐশী ঘোষের (Aishe Ghosh ) মাথা ফেটেছে, সেই ঐশীর বিরুদ্ধেই এবার মামলা দায়ের করল দিল্লি পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর এবং নিরাপত্তারক্ষীর উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে জেএনইউ ছাত্র সংসদের সভানেত্রীর বিরুদ্ধে। ঐশীর পাশাপাশি এফআইআর দায়ের হয়েছে আরও ৮ জনের বিরুদ্ধে।

Aishi attacked
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুম অচল করে দেওয়া হয়, যাতে পড়ুয়ারা পরের সেমিস্টারের ফর্ম পূরণ করতে না পারে। ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ তাঁর দলবল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমটিতে ভাঙচুর করেছে। নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে বলে অভিযোগ। জেএনইউ (Jawaharlal Nehru University) কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশ মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে।যার মধ্যে রয়েছে ঐশীর নাম।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: JNU কাণ্ডের প্রতিবাদে ‘স্বাধীন কাশ্মীরের’ দাবি, মিছিলে ভারত বিরোধী পোস্টার]

রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলায় আক্রান্ত হন ঐশী ঘোষ। তাঁর মাথা ফাটে। দিল্লির এইমসে ভরতি করতে হয় ঐশীকে। মোট ১৬টি সেলাই পড়ে করতে হয় তাঁর মাথায়। অভিযোগ, এর ঠিক একদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর চালান তিনি। গত ৩ জানুয়ারি ও ৪ জানুয়ারি জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়। ৪ তারিখে হওয়া এফআইআরটিতে নাম আছে ঐশীর।

JNU-aishi

[আরও পড়ুন: পরিকল্পিত আক্রমণ! জেএনইউতে পড়ুয়াদের উপর হামলার দায় নিল ‘হিন্দু রক্ষা দল’]

কর্তৃপক্ষের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিত ফি’র বিরুদ্ধে যে আন্দোলন চলছে, তার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর করা হয়েছে। আসলে, ওই সার্ভার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সেমিস্টারের জন্য রেজিস্ট্রেশন করানো হচ্ছিল। আর বাম ছাত্র সংগঠনগুলি ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে পরবর্তী সেমিস্টার বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাঁরা সেমিস্টারের ফর্ম পূরণ করতে চাইছেন, তাঁদের বাধা দিতেই সার্ভার রুমটিতে ভাঙচুর করা হয়েছে। সার্ভার রুমে ভাঙচুরের ফলে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল ফর্ম পূরণের কাজ। তাই, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরের সেমিস্টারের জন্য ফর্ম পূরণের সময়সীমা বাড়িয়ে রবিবার পর্যন্ত ঘোষণা করেছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.