সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন সাইরাস মিস্ত্রি। শুক্রবার, টাটা গ্রুপের এগজিকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে মিস্ত্রিকে বসানোর ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। শুধু তাই নয় চার সপ্তাহের মধ্যে সাইরাস ও সাপুরজি-পালনজি গ্রুপকে টাটা সন্স-এর আপিলের জবাব দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ডিসেম্বর মাসের ১৮ তারিখ দ্য ন্যাশনাল কোম্পানি ল অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালের (এনসিএলএটি) তরফে জানানো হয়, টাটা সন্স প্রাইভেট লিমিটেডের এগজিকিউটিভ চেয়ারম্যানের পদ থেকে সাইরাস মিস্ত্রিকে সরিয়ে এন চন্দ্রশেখরনকে বসানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল। একইসঙ্গে সাইরাসকে পুনর্বহালের নির্দেশও দেয় ট্রাইব্যুনাল। যদিও চার সপ্তাহ পর এই রায় কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছিল এনসিএলএটির তরফে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল সংস্থা। টাটা সন্সের দাবি, এনসিএলএটির রায়ে কর্পোরেট সংস্থার গণতান্ত্রিক নিয়ম মানা হয়নি। সংস্থার বর্তমান বোর্ড মেম্বারদের আধিকারকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে টাটা সন্সের এগজিকিউটিভ চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন সাপুরজি-পালনজি পরিবারের সদস্য সাইরাস মিস্ত্রি। ২০১৬ সালে তাঁকে সেই পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থার বোর্ড অব ডিরেক্টর্স। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মানতে রাজি ছিলেন না সাইরাস। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এনসিএলএটির দ্বারস্থ হয় সাইরাস মিস্ত্রির সংস্থা সাইরাস ইনভেস্টমেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং স্টারলিং ইনভেস্টমেন্টস কর্পোরেশন। কিন্তু সেই মামলা খারিজ করে দেয় এনসিএলএটি। এরপরই সাইরাস নিজে ওই ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কোম্পানি আইন মেনে তাঁকে সরানো হয়নি।