Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
গৌরী লঙ্কেশ

ধানবাদ থেকে ধৃত গৌরী লঙ্কেশ খুনে অন্যতম অভিযুক্ত

ধৃতের নাম রুষিকেশ দেবদিকর ওরফে মুরালি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২০, ১৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২০, ১৩:১৯

options
link
ধানবাদ থেকে ধৃত গৌরী লঙ্কেশ খুনে অন্যতম অভিযুক্ত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্ণাটকের সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের খুনের তদন্তে ফের সাফল্য পেল কর্ণাটক পুলিশ। এতদিন ধরে পলাতক থাকা এই খুনের ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত রুষিকেশ দেবদিকর ওরফে মুরালি(৪৪)-কে গ্রেপ্তার করল। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ জেলার কতরাস এলাকার একটি গোপন ডেরা থেকে ধরা হয় তাকে।

কর্ণাটক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা মুরালিকে খুঁজছিলেন বিশেষ তদন্তকারী দলের সদস্য (SIT)। সম্প্রতি খবর পাওয়া যায় যে ধানবাদের কতরাস এলাকার একটি গোপন ডেরায় লুকিয়ে আছে সে। এরপরই ঝাড়খণ্ডে আসে SIT’র একটি দল। আর গতকাল তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তথ্যপ্রমাণ খোঁজা হচ্ছে। শুক্রবার তাকে আদালতে তোলা হবে। ধৃত মুরালি এই মামলার ১৮ তম আসামি।

[আরও পড়ুন: জরুরি পরিষেবার স্বার্থে কাশ্মীরে অবিলম্বে ইন্টারনেট চালু হোক, কেন্দ্রকে তোপ শীর্ষ আদালতের ]

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বেঁচে থাকার সময় ধর্মীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন গৌরী লঙ্কেশ। ২০১৭ সালে ৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়ির সামনেই গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। এরপরই দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় আছড়ে পড়ে। তদন্ত নেমে প্রায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তড়িঘড়ি একটি বিশেষ দল তৈরি করে তদন্তও শুরু করে দেয়। এরপর থেকে মুরালি-সহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত ধরা পড়েছে। এখনও দু-তিনজন পলাতক। চল্লিশ বছর আগে তাঁর বাবা যে ‘লঙ্কেশ পত্রিকা’ শুরু করেছিলেন, গৌরী পরে তার সম্পাদক ছিলেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে ‘কমিউনাল হারমনি ফোরাম’ নামে একটি গোষ্ঠীকে ক্রমাগত উৎসাহ দিতেন তিনি। যে গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বপক্ষে এবং দক্ষিণপন্থী হিন্দুত্ববাদের বিপক্ষে জনমত সংগঠিত করত। আর তা নিয়ে গোয়ার হিন্দুত্ববাদী সনাতন সংস্থা বা হিন্দু জন জাগৃতির সঙ্গে তাঁর অশান্তি শুরু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর জেরেই তাঁকে খুন করা হয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.