Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
শাহিনবাগে সর্ব ধর্ম সমন্বয়

লক্ষ্য সর্ব ধর্ম সমন্বয়, মন্ত্র-আজান-প্রার্থনায় মাতল শাহিনবাগ

CAA বিরোধী আন্দোলনের নয়া দৃষ্টান্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ১০:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ১০:০৩

options
link
লক্ষ্য সর্ব ধর্ম সমন্বয়, মন্ত্র-আজান-প্রার্থনায় মাতল শাহিনবাগ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: CAA বিরোধী আন্দোলনের আবহে ভারতে সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের সাক্ষী থাকল গোটা দুনিয়া। ভারত হিন্দুদের দেশ। ভারত মুসলিমদেরও দেশ। ভারত সব ধর্মের মানুষের আশ্রয়স্থল। এখানে ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ চলে না। এই বার্তা দিতেই দিল্লির শাহিনবাগে ‘সর্ব ধর্ম সম্ভব’-র আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে কয়েক হাজার ভিন্ন ধর্মালম্বী মানুষ জমায়েত হন। সকলেই নিজের নিজের ধর্মের আচার পালন করেন। কিন্তু সবশেষে সম্মিলিতভাবে সংবিধানের প্রস্তাবনার অংশটুকু পড়েন তাঁরা। প্রতিবাদীদের বার্তা, ‘আমাদের ধর্ম আলাদা কিন্তু দেশ এক। কেউ ধর্মের ভিত্তিতে আমাদের ভাগ করতে পারবে না।”

Advertisement

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হয়েছে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে তা আইনেও পরিণত হয়েছে। কিন্তু সেই বিল পেশ হওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল গোটা দেশ। ছাত্র-যুব থেকে বিশিষ্টজন, সকলেই এই আইনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। পথে-পথে বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে। কবিতা-গান-ছবি-আল্পনা, যে যেভাবে পেরেছেন প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আবার সহিংস আন্দোলনের সাক্ষী থেকেছে গোটা দেশ। প্রতিবাদ করতে গিয়ে গোটা দেশে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৩০ জন। তাতেও কেন্দ্র সরকারের হুঁশ ফেরেনি। বরং আন্দোলন চলাকালীন দেশজুড়ে এই আইন কার্যকরও হয়ে গিয়েছে। তবে মনের জোর হারাতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। আর তাই দিল্লির হাড় কাঁপানো শীতের কামড় উপেক্ষা করে শাহিনবাগে রাতদিন অবস্থান করছে কয়েক শো মানুষ। তাঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন পড়ুয়ারা, তেমনই আবার রয়েছেন আম জনতা। এবার তাঁদের উদ্যোগে সর্ব ধর্ম সমন্বয় দেখল গোটা দুনিয়া।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন : CAA নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকে বসছে বিরোধীরা, থাকবেন না মমতা-মায়াবতী]

জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর থেকে শয়ে শয়ে মানুয জমা হচ্ছিল দিল্লির শাহিনবাগ চত্বরে। বেলা গড়াতেই সংখ্যাটা কয়েক হাজার পেরিয়ে যায়। তাঁদের মধ্যে কেউ হিন্দু, কেউ মুসলিম, কেউ জৈন, কেউবা খ্রিস্টান। এদিন সেই সব পরিচয় ভুলে সকলের মন্ত্র ছিল এক, ‘আমরা ভারতীয়’। CAA কার্যকরার প্রতিবাদে খোলা মঞ্চে কেউ তাঁরা যাগ-যজ্ঞ করলেন, কেউ বা গাইলেন কীর্তন। কেউ আবার ভজনও গাইলেন। বাদ পড়েনি সুফি, গজলও। ভিড়ের মধ্যে কখনও উচ্চারিত হল বেদের শ্লোক, কখনও বা রামায়ন-মহাভারত-গীতার অংশ। কখনও শোনা গেল কোরান-বাইবেল-ত্রিপিটক-গুরু গ্রন্থ সাহিবের পংক্তির উচ্চারণ। আর শেষে সম্মিলিত কণ্ঠে উচ্চারণ হল সংবিধানের প্রস্তাবনার অংশ। জানা গিয়েছে, আন্দোলন ক্ষেত্রে কাছে ইন্ডিয়া গেটের রেপ্লিকা তৈরি করা হয়েছে। যার সারা গায়ে লেখা হয়েছে NRC, CAA বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের নাম।সবমিলিয়ে শাহিনবাগ আন্দোলন যে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের অন্যমত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

   

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.