Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
মমতা

বিরোধীদের চাপ! CAA বিরোধিতায় রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব পেশে রাজি মমতা

বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও এনপিআর নিয়ে সতর্ক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২০, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২০, ১৬:৫২

options
link
বিরোধীদের চাপ! CAA বিরোধিতায় রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব পেশে রাজি মমতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাপে পড়ে রাজ্য বিধানসভায় CAA বিরোধিতায় সংক্রান্ত প্রস্তাব আনতে রাজি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঘোষণা করলেন, বিধানসভায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে রাজ্যের বিরোধীদের দাবি মেনে প্রস্তাব আনবেন। দিনক্ষণ পরে স্থির করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে ‘বিলম্বিত বোধোদয়’ বলে কটাক্ষ করেছে বাম নেতৃত্ব। পাশাপাশি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের উদ্দেশেও বলেন যে তাঁরা যেন আইনের খুঁটিনাটি বুঝে, তবেই এনপিআরের কাজ শুরু করেন।

CAA বিরোধিতায় গোড়া থেকে একেবারে প্রথম সারিতে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিরোধিতাকে সামনে রেখে এগিয়ে এসেছেন অবিজেপি বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিজেদের রাজ্যে CAA লাগু করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পাঞ্জাবের অমরিন্দর সিং থেকে অন্ধ্রের জগনমোহন রেড্ডি, কেরলের পিনারাই বিজয়ন।শুধু সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনই নয়, মমতার বিরোধিতার বিষয় একইসঙ্গে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি এবং জাতীয় জনগণনা নিবন্ধীকরণও। জাতীয় স্তরে বারবার এ নিয়ে বিরোধিতায় সরব হলেও, রাজ্য বিধানসভায় CAA বিরোধিতা নিয়ে প্রস্তাব পেশ করতে চেয়ে বাম-কংগ্রেসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন। তা নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়েন তিনি। দ্বিচারিতার অভিযোগও ওঠে। বিশেষত বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান বারবার প্রশ্ন তোলেন, আইনের বিরোধিতা করলে, রাজ্য বিধানসভায় কেন সেই প্রস্তাব আনতে বাধা দিচ্ছেন? সপ্তাহ খানেক আগে কলকাতায় নরেন্দ্র মোদির সফরকালে তাঁর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের বিরোধিতা করতে গিয়ে বাম ছাত্র সংগঠনও এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেছিল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সাত সকালে গড়িয়ায় বেপরোয়া লরির বলি বৃদ্ধ, চালক পলাতক]

এসব নিয়ে চাপ বাড়ছিল মমতা সরকারের উপর। CAA’র বিরোধিতা করে কেরল, পাঞ্জাব নিজেদের বিধানসভায় এই প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। সেই নিদর্শন তুলে ধরেও বিরোধীদের আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে শেষমেশ রাজ্য বিধানসভায় CAA বিরোধী প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যা নিয়ে বাম এবং কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়ে গিয়েছে কটাক্ষ। বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী থেকে বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান সকলেই বলছেন, তাঁদের চাপেই মত বদল করতে বাধ্য হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এতদিন বিরোধী দলগুলিকে একজোট করে কেন্দ্রের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA), জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC) এবং জাতীয় জনগণনা নিবন্ধীকরণের (NPR) প্রতিবাদ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এবার তিনি উত্তর-পূর্বের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মু্খ্যমন্ত্রীদেরও তাতে শামিল হওয়ার আহ্বান জানালেন। সম্প্রতি দিল্লিতে এনপিআরের বৈঠকে একমাত্র বাংলা বাদে হাজির ছিলেন সমস্ত রাজ্যের প্রতিনিধিরা। এনপিআর সংক্রান্ত সমস্ত খুঁটিনাটি নিয়ে সেদিনের বৈঠকে কেন্দ্রের কাছ থেকে গাইডলাইন পেয়েছে রাজ্যগুলো। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”আমি সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে এনপিআরের সবটা না বুঝে কাজ শুরু করবেন না। কারণ, এখানে যে তথ্যগুলো দেবেন, তা পরবর্তী সময়ে CAA’র কাজে ব্যবহার করা হবে। তাই আগে আইনটি ভালভাবে বুঝুন। তারপর কাজ শুরু করবেন। উত্তর-পূর্বের বিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও আমি একই কথা বলতে চাই। আসুন, সবাই মিলে CAA প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রের উপর চাপ তৈরি করি।”

[আরও পড়ুন: ফের অঙ্গ প্রতিস্থাপন কলকাতায়, মৃত পড়ুয়ার অঙ্গে প্রাণ পাওয়ার আশা ৪ মুমূর্ষুর]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.