Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
JNU-এর সার্ভার রুমে ভাঙচুর করা হয়নি

জেএনইউ’র সার্ভার রুমে ভাঙচুর করা হয়নি, RTI-এ জানাল বিশ্ববিদ্যালয়

প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১২:১৫

options
link
জেএনইউ’র সার্ভার রুমে ভাঙচুর করা হয়নি, RTI-এ জানাল বিশ্ববিদ্যালয় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: JNU বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর নিয়ে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে বয়ান বদল করল কর্তৃপক্ষ। ৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর করা হয়নি। এমনকী অক্ষত রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ ও বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থাও। বরং ওইদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফেই সার্ভার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি এক সমাজকর্মীর করা RTI-এর জবাবে এমনটাই জানিয়েছে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষের জবাব সামনে আসার পর থেকেই প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম জগদীশের দাবি। ৫ জানুয়ারি দায়ের করা এফআইআরে তিনি জানিয়েছিলেন, “৩ জানুয়ারি একদল পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়েক সার্ভার রুমে ভাঙচুর চালিয়েছিল।” সিসিটিভি যাতে কাজ না করে তা নিশ্চিত করতেই এই হামলা ছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন উপাচার্য। কিন্তু RTI-এর পর তাঁর সেই অভিযোগকে মিথ্যে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করছেন পড়ুয়াদের একাংশ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শপিং মল-রেস্তরাঁ রাতভর খোলা থাকলে বাড়বে ধর্ষণ! বিজেপি নেতার মন্তব্যে বিতর্ক]

প্রসঙ্গত, ৪ জানুয়ারি JNU ক্যাম্পাসে ঢুকে বামপন্থী পড়ুয়াদের মারধর করে একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের তির ABVP-এর সদস্যদের বিরুদ্ধে। তবে ক্যাম্পাসে ঢুকে মারধরের ঘটনার কোনও সিসিটিভি ফুটেজ মেলেনি। ৫ জানুয়ারি দায়ের করা এফআইআরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, ৪ জানুয়ারির হামলার বীজ পোঁতা হয়েছিল ৩ জানুয়ারি। হামলার প্রমাণ যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই একদল ছাত্র সার্ভাররুম অর্থাৎ সেন্টার অফ ইনফরমেশন সিস্টেম (CIS)-কাঁচের দরজা ভেঙেছিল। সার্ভার আর যাতে কাজ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে সেখানেও হামলা চালিয়েছিল৷ ফাইবার অপটিক্স ও বিদ্যুৎ পরিষেবাও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল৷ এমনকী ঘরের বায়োমেট্রিক ব্যবস্থাও ভেঙে ফেলা হয়েছিল৷ তাই ৪ জানুয়ারি সেন্ট্রাল ও নর্থ গেটে পড়ুয়াদের উপর হামলার নিরবিচ্ছিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ মেলেনি।

[আরও পড়ুন : মসজিদে অস্ত্র মজুত রাখে মুসলিমরা’, কর্ণাটকের বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে বিতর্ক]

উপাচার্যের  সেই দাবির  বিরোধিতা করেছিলেন ঐশী ঘোষ-সহ  বামপন্থী ছাত্র নেতারা। এরপরই এক সমাজকর্মী ঘটনার সত্যতা জানতে চেয়ে ‘জীবন ও সত্যতা’ ক্লজের অন্তর্গত  RTI করেন। সম্প্রতি তার জবাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যহত হয়েছিল। তাই নিরবিচ্ছিন্ন ফুটেজ মেলেনি। কর্তৃপক্ষের এহেন ভোলবদল দেখে পড়ুয়াদের একাংশ সুকুমার রায়ের লাইন ধার করে বলছেন, ” এ তো দেখি, ছিল রুমাল হল বিড়াল!”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.