সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধের সম্ভাবনা বাড়িয়ে ইরাকের মার্কিন দূতাবাসে আছড়ে পড়ল একাধিক রকেট। রবিবার রাজধানী বাগদাদের ‘গ্রিন জোনে’ আঘাত হানে পাঁচটি রকেট। তবে এই হামলায় কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে খবর, দূতাবাসের ক্যাফেটিরিয়ায় আঘাত হানে একটি রকেট।ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দূতাবাস ভবনটির একাংশ। তবে কোনও জওয়ান আহত হয়নি বলেই জানিয়েছে মার্কিন সেনা। এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি।। তিনি বলেন, ‘এহেন আগ্রাসনে ইরাক যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবে।’ এদিকে, দূতাবাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইরাকি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এই হামলা কে বা কারা চালিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়া কোনও সংগঠনই এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে।
এদিকে, বাগদাদে ক্রমেই বাড়ছে সরকার বিরোধী আন্দোলন। সোমবারও রাজধানীর রাস্তায় নেমে সরকার বিরোধী প্রদর্শন করে হাজার হাজার মানুষ। ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ সরকারের অবসান চেয়ে বাগদাদের তাহরির স্কোয়ারে বিক্ষোভ শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার পড়ুয়ারা। এপর্যন্ত বিক্ষোভে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। বাগদাদ ছাড়াও বাসরা ও অন্যান্য শহরেও চলছে প্রতিবাদ।
উল্লেখ্য, উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ইরানকে ফের হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। জঙ্গি কার্যকলাপ না থামালে নিহত কাশেম সোলেমানির উত্তরসূরি জেনারেল ইসলমাইল কানিকেও খতম করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ইরানে নিযুক্ত আমেরিকার বিশেষ প্রতিনিধি। গত জানুয়ারি মাসেই বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের ‘কাডস ফোর্স’-এর কমান্ডার জেনারেল কাশেম সোলেমানি-সহ ৮ জন। পালটা মার্কিন সেনাঘাঁটিতে রকেট হামলা চালায় ইরানের সেনা। তারপরই ‘কাডস ফোর্স’-এর কমান্ডার হিসেবে ইসমাইল কানিকে নিযুক্ত করে তেহরান। সোলেমানির দেখানো জেহাদের পথেই হেঁটে আমেরিকাকে শিক্ষা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন জেনারেল কানি।তারপরই চরম হুমকি এসেছে আমেরিকার বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুকের তরফ থেকে।
[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে পুলিশের মদতে বিয়ের পিঁড়ি থেকে হিন্দু যুবতীকে অপহরণ দুষ্কৃতীদের]