সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এদেশে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক চলছে। কেউ এই আপ্তবাক্যকে রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করে। আবার কেউ নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে দেশমাতৃকার জয়গানে অস্বীকার করে। কিন্তু এদেশে যতই বিতর্ক হোক, বিদেশের মাটিতে এখন হিট ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান। ভারত-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি চলাকালীন অকল্যান্ডের মাঠে প্রতিধ্বনিত হল সেই ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান।
অকল্যান্ডের (Auckland) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির সময় ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক কিউয়ি সমর্থক ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলার চেষ্টা করছেন। ভারতীয়দের মতো আবেগের সঙ্গে স্লোগান দিতে না পারলেও, তাঁর শেখার ইচ্ছেটাই মন জয় করছে নেটিজেনদের। তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন অন্যরাও। টুইটারে যে ভিডিওটি পোস্ট হয়েছে, সেটি কবেকার তা উল্লেখ নেই। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এটা অকল্যান্ডে দ্বিতীয় ম্যাচের সময়কার ভিডিও।
[আরও পড়ুন: সুপার ওভারে দুর্দান্ত জয়, কিউয়িদের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে ইতিহাস ভারতের]
एक से एक विभूतियाँ हैं देश में। 🤣🤦♂️ pic.twitter.com/whZJAkpTMI
— Bhaiyyaji (@bhaiyyajispeaks) January 27, 2020
ক্রিকেটবিশ্বে নিউজিল্যান্ড সমর্থকদের গুণগান নতুন কিছু নয়। অনেকেই বলেন, তাঁরাই সবচেয়ে নম্র, ভদ্র ও রুচিশীল। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও (Virat kohli) বুধবারের জয়ের পর সেকথাই বলেন। কোহলিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁদের এই জয় বিশ্বকাপে হারের বদলা কিনা। তাঁর উত্তরে বিরাট বলেন,”আপনি যদি বদলা নেওয়ার কথা ভাবেনও, তাতেও আপনার মনে হবে এরা এত ভাল মানুষ। এদের সঙ্গে আমরা এতটা মিশে গিয়েছি। তেমনটা সম্ভব নয়। এদের বিরুদ্ধে বদলার কথা ভাবা যায় না। শুধু খেলার মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শক্ত করার কথাই ভাবতে হয়। এঁরা এমন একটা দল যাঁরা অন্যান্য আন্তর্জাতিক দলগুলির জন্য উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে। এরা আর যাই হোক, নোংরা মানসিকতার নয়।”
[আরও পড়ুন: হ্যামিল্টনে ধোনিকে টপকে নয়া নজির বিরাটের, মাইলস্টোন ছুঁলেন রোহিতও]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন