শেষযাত্রায় তাপস পাল। মঙ্গলবার রাতে মুম্বই থেকে গলফ ক্লাব রোডের অভিনেতার বাড়িতে আনা হয়েছিল দেহ। বুধবার সকালে তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সতীর্থরা। পড়শিরাও তাঁদের প্রিয় অভিনেতাকে শেষ বারের মতো চোখের দেখা দেখতে উপস্থিত হন তাপস পালের বাড়ি।
বেলা ২টো ২০ মিনিট: পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল তাপস পালের শেষকৃত্য।
বেলা ১টা ৩৭ মিনিট: কেওড়াতলা মহাশ্মশানে গানস্যালুট প্রয়াত অভিনেতাকে।
বেলা ১টা ৩২ মিনিট: কেওড়াতলা মহাশ্মশানে পৌঁছল তাপস পালের দেহ।
বেলা ১টা ১৫ মিনিট: দেহ রওনা দিল কেওড়াতলা মহাশ্মশানের উদ্দেশে। শেষযাত্রায় শামিল মেয়র ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ভরত কল-সহ অনেক কলাকুশলী ও টেকনিশিয়ানরা। রয়েছেন শত শত অনুরাগীরাও।
বেলা ১টা ০৯ মিনিট: শববাহী শকটে তোলা হচ্ছে প্রয়াত অভিনেতা তাপস পালের দেহ। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেহ রওনা দেবে কেওড়াতলা মহাশ্মশানের উদ্দেশে।

বেলা ১২টা ১৪ মিনিট: “আমি তাপসের মুখের দিকে তাকাতে পারছি না। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ও জানতেও পারল না ওর দোষ কোথায়। মৃত্যুর আগে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল তাপস। অসময়ে ওর মৃত্যু হয়েছে। দাদার কীর্তি ওর অমর কীর্তি।” বললেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পী জগৎ ও তাপস পালের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ব্যক্ত করেন তিনি। ভ্রাতৃসম অভিনেতা ও দলের কর্মীকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকেও একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী।
সকাল ১১টা ৪২ মিনিট: অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন স্ত্রী নন্দিতা ও মেয়ে সোহিনী পালের সঙ্গে।
সকাল ১১টা ৩৭ মিনিট: তাপস পালকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সকাল ১১টা ৩০ মিনিট: অভিনেতাকে অন্তিম শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্র সদনে গিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা, মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী ও গায়ক ইন্দ্রনীল সেন, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সকাল ১১টা ২০ মিনিট: রবীন্দ্র সদনে অনুরাগীদের লম্বা লাইন। লাইন পৌঁছে গিয়েছে সাহিত্য অ্যাকাডেমি পর্যন্ত। কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সকাল ১১টা ১০ মিনিট: চোখের জলে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কান্নাভেজা গলায় বললেন, “কী বলব আমার কিছু বলার নেই। শোনার মানুষ চলে গেল।”

সকাল ১১টা ০৮ মিনিট: অশ্রুসিক্ত চোখে বাবার ঝাপসা চশমা পরিষ্কার করছেন মেয়ে সোহিনী।
সকাল ১১টা ০৮ মিনিট: শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্র সদনে এসেছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়, ভরত কলের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। চোখের জলে শ্রদ্ধা জানালেন অভিনেতার একসময়ের নায়িকা রচনা।
সকাল ১১টা ০৩ মিনিট: দেহ পৌঁছেছে রবীন্দ্র সদনে। শিয়রে রয়েছে অভিনেতারই একটি ছবি। বিশৃঙ্খলা এড়াতে রয়েছে পুলিশের ব্যারিকেড। রয়েছে মহিলা পুলিশও।
সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট: স্টুডিও পাড়া থেকে মরদেহ রওনা দিল রবীন্দ্র সদনের উদ্দেশে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড হয়ে যাচ্ছে রবীন্দ্র সদন। সঙ্গে ছিল পুলিশের পাইলট কার।
সকাল ১০টা ৫০ মিনিট: টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় পাঁচ মিনিট থাকবে দেব। তারপর রওনা দেবে রবীন্দ্র সদনের উদ্দেশে। সূত্রের খবর, রবীন্দ্র সদনে অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন রাজ্যের মন্ত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্র সদনে যাবেন কিনা, তা এখনও জানা যায়নি।

সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট:“আমার বাবার সঙ্গে অনেক ছবি করেছেন। তিনি বলতেন, এত অনায়াস অভিনয়ের ভঙ্গিমা, মনে হচ্ছে না চেষ্টা করে অভিনয় করছেন। উত্তমকুমার চলে যাওয়ার পর তাপস বাংলা ছবির শূন্যতার জায়গা পূরণ করেছিলেন। তিনি চলে গিয়ে আবার শূন্যতা তৈরি হল”, বলেন অশোক বিশ্বনাথন। হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, “আশির দশক থেকে একসঙ্গে কাজ করেছি। ওর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। আজ সকালে দেখলাম ও ফুলের মালায় ঢেকে শুয়ে আছে। পুরনো কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।”
সকাল ১০টা ৪০ মিনিট: অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, এখন টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ১১টায় রবীন্দ্র সদনে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিট: টেনকনিশিয়ান স্টুডিওর উদ্দেশে রওনা দিল অভিনেতার দেহ।
সকাল ১০টা: বাড়িতেই শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ছিলেন অশোক বিশ্বনাথন, হরনাথ চক্রবর্তী, ভরত কল, জিৎ ও জুন মালিয়ার মতো কলাকুশলীরা।