সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার বুরারি কাণ্ডের ছায়া গাজিয়াবাদে। বাড়ি থেকে উদ্ধার হল একই পরিবারের চারজনের দেহ। মৃতদের মধ্যে দু’টি শিশুও রয়েছে। শুক্রবার সকালের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে। জানা গিয়েছে, বাচ্চা দু’টির বয়স মাত্র দু’বছর ও চার বছর। বাড়িটি থেকে উদ্ধার হল সুইসাইড নোটও।
পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই বছর পঁচিশের ওই যুবক। উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোট থেকে জানা গিয়েছে, যুবকের স্ত্রী অপরিচিতদের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলতেন। বারবার বারণ করা হলেও সে শোনেনি। এ বিষয় নাকি স্ত্রীয়ের ভাইয়েরও মদত ছিল।
{আরও পড়ুন : ‘দিল্লি জ্বলছে, কিন্ত অমিত শাহ কোথায়?’, বিজেপিকে তোপ শিব সেনার]
গাজিয়াবাদের শাহিবাদ এলাকার সার্কেল অফিসার রাকেশ মিশ্র জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িটিতে আসে। দরজা ভেঙে ঢুকে দেখে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। তাঁর স্ত্রী (২৩) ও দুই সন্তান মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। মনে করা হচ্ছে তাঁদের খুন করে অনুশোচনায় আত্মঘাতী হয়েছে ওই যুবক। দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, সন্দেহের বশেই স্ত্রী ও সন্তানদের খুন করেছে ওই যুবক। তবে তদন্ত না শেষ হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে রাজি নন পুলিশ আধিকারিকরা।
{আরও পড়ুন : করোনার কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হতে পারে ভারত, আশঙ্কা মার্কিন গোয়েন্দাদের]
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে একই ধরণের ঘটনা ঘটেছিল দিল্লিতে। ভজনপুরা এলাকায় এক বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় পরিবারের ৫ জনের পচাগলা মৃতদেহ। তিন সন্তান ও স্বামী-স্ত্রী বলে মৃতদের সকলকে চিহ্নিত করে পুলিশ। আত্মহত্যা বলে প্রাথমিক অনুমান করে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। উত্তর-পূর্ব দিল্লির ভজনপুরার রিকশাচালক শম্ভু নামে এক ব্যক্তি। তিন ছেলেমেয়ের এবং স্ত্রীকে নিয়ে সংসার। বুধবার দুপুর নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পান প্রতিবেশীরা। খবর পাঠানো হয় স্থানীয় থানায়। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভেঙে দেখে, ৫ জনের দেহ পচাগলা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দেহগুলি উদ্ধার করে একে একে চিহ্নিত করা হয়।