Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রাশিয়া

সমকামী বিয়েতে আপত্তি, রাস্তা সাফ করতে সংবিধান বদলাচ্ছেন পুতিন!

নারী-পুরুষ সম্পর্ক ছাড়া আর কোনও সম্পর্ককে সিলমোহর দিতে নারাজ রুশ প্রেসিডেন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২০, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২০, ১৪:১১

options
link
সমকামী বিয়েতে আপত্তি, রাস্তা সাফ করতে সংবিধান বদলাচ্ছেন পুতিন! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমকামীদের অধিকারের দাবিতে বিশ্বজুড়ে চলছে আন্দোলন। উন্নত দেশ তো বটেই, উন্নয়নশীল দেশগুলোও সমকামিতার পক্ষে সওয়াল করছে। বছর দুই আগে ভারতেও বৈধতা পেয়েছে সমকাম। কিন্তু রাশিয়ার মতো দেশ এখনও পুরনোপন্থীর খোলস ছেড়ে বেরোতে পারেনি। তাই সমকামী বিয়েকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করতে এবার পদক্ষেপ নিল পুতিন প্রশাসন।

তবে সরাসরি সমকামী বিয়েকে ‘নিষিদ্ধ’ বলে ঘোষণা করছে না রাশিয়া। জানা গিয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সংবিধান সংশোধনের যে খসড়া তৈরি করেছেন, তাতে তিনি নারী ও পুরুষের মধ্যে সম্পর্ককে ‘বিয়ে’ বলে লিপিবদ্ধ করেছেন। এনিয়ে ২৪ পৃষ্ঠার একটি সংবিধান সংশোধনী প্রস্তুত করা হয়েছে। সেটি ইতিমধ্যেই পার্লামেন্টে পেশ করা হয়েছে। পার্লামেন্টে এই সংশোধনী বিল পাশ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ যেহেতু এই প্রস্তাব প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এসেছে, তাই খুব বেশি বিরোধ এক্ষেত্রে হবে না। আর যদি এই সংশোধনী পাশ হয়, তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই সমকামী বিয়ে বেআইনি বলে ঘোষিত হয়ে যাবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন:  করোনায় আক্রান্ত নন পোপ ফ্রান্সিস, স্বস্তি ফিরল ভ্যাটিকানে ]

রাশিয়ার এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা। নেটিজেনদের বক্তব্য, সরাসরি না বলে, ঘুরিয়ে নাক দেখাল পুতিন প্রশাসন। এর ফলে লাভ হবে দু’টো। বিতর্কের মুখেও পড়বেন না পুতিন, আবার তাঁর উদ্দেশ্যও সফল হবে। যদিও নেটিজেনদের কটাক্ষ, কেউ তো আর ঘাসে মুখ দিয়ে চলে না। তাই বিতর্ক থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে না পুতিনের পক্ষে। যদিও ভ্লাদিমির পুতিন বরাবরই রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ বলে পরিচিত। এর আগেও একাধিকবার সেই প্রমাণ মিলেছে। আগেও একবার প্রথম ও দ্বিতীয় অভিভাবক নিয়ে তরজায় মা ও বাবা ছাড়া আর কাউকে অভিভাবক মেনে নেওয়ার ঘোর বিপক্ষে ছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। কিন্তু পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ যখন সমকামিতাকে আইনত স্বীকৃতি দিচ্ছে, তখন রাশিয়ার এভাবে গোঁড়া মানসিকতা আঁকড়ে বসে থাকা নিয়ে অনেকেই অসন্তুষ্ট।

[ আরও পড়ুন: শান্তি কাগজে-কলমেই! আফগান সেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা তালিবানের ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.