Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
চিকেন

মুরগির ব্যবসায় বিপুল ক্ষতি, ৬০০০ মুরগিকে জ্যান্ত পুঁতলেন চাষী! ভাইরাল ভিডিও

করোনা আতঙ্কে মুরগির বিক্রি কমে তলানিতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১০

options
link
মুরগির ব্যবসায় বিপুল ক্ষতি, ৬০০০ মুরগিকে জ্যান্ত পুঁতলেন চাষী! ভাইরাল ভিডিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৬২। মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, কেরলের মতোই করোনার কোপে কর্ণাটকও। এরই মধ্যে করোনা নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারের সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে গুজব। কেউ বলছে চিকেন খেলেই করোনার সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। আবার কারও মতে, করোনার হাত থেকে বাঁচতে পুরোপুরি নিরামিশাষী হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরেই ছড়িয়ে পড়ছে এই সংক্রান্ত বেশ কিছু ভুয়ো ভিডিও। যা দেখে আতঙ্ক বাড়ছে মানুষের। আর এই আতঙ্কের জেরেই কঠিন পদক্ষেপ করলেন কর্ণাটকের মুরগি চাষীরা। একসঙ্গে ৬০০০ মুরগীকে জ্যান্ত অবস্থায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হল।

কর্ণাটকের বেলাগবি জেলার গোককের চাষী নজির আহমেদ মরন্দর এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। সোমবার একটি ট্রাকে ৬০০০ হাজার মুরগি তুলে নিয়ে নিয়ে একটি মাঠের মধ্যে গর্ত করে সেখানেই জ্যান্ত মুরগিগুলোকে চাপা দেন তিনি। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই চাষী জানান, মুরগির দাম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। প্রতি কিলো ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। যা আরও কমে ৫-১০ টাকা হয়ে যায়। ফলে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয় তাঁকে। আর সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করমর্দনের বদলে নমস্কার করুন, করোনার সংক্রমণ রুখতে পরামর্শ কর্নাটক সরকারের]

তবে নজির একা নন, একই কাণ্ড ঘটিয়েছেন কোলার জেলার পোলট্রি ফার্মের মালিক রামচন্দ্র রেড্ডিও। তিনি আবার সাড়ে ৯ হাজার মুরগিকে গর্তে পুঁতে দিয়েছেন বলে খবর। কয়েকদিনের মধ্যে কুড়ি হাজার টাকা লোকসান হয় তাঁর। তারপরই এই সিদ্ধান্ত। চিকেনকে দূরে ঠেলে সকলে এখন কাঁঠাল ও এঁচোড় খাচ্ছেন। চড়চড় উঠছে এই সবজির দাম।

গত সপ্তাহেই উত্তরপ্রদেশের লখনউ ও মুজফ্ফরনগরের জেলাশাসক খোলা দোকানে মুরগির মাংস বিক্রি করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। বেশ কয়েকটি রেস্তরাঁ ইতিমধ্যেই নোটিস টাঙিয়েছে দোকানে, তাতে লেখা ‘আমিষ খাবার চাইবেন না।’ খোলা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সার্বিকভাবে মুরগির মাংস বিক্রির চাহিদা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। কোথাও আবার ব্রয়লার মুরগির বিক্রি কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ। দিল্লিতে বিক্রির হার কমেছে ৪৫ শতাংশ। কেরল, বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে মুরগির মাংস বিকোচ্ছে ৫৫ টাকা প্রতি কিলোয়। পাঞ্জাবের একটি বেসরকারি খাদ্যসংস্থার আধিকারিক রাজীব জয় সিংঘানিয়া জানান, বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে ভুল প্রচারের জেরেই কোপ পড়ছে মুরগির মাংস বিক্রিতে। কিন্তু বাস্তবে যত দিন যাচ্ছে, চিকেন খাওয়া নিয়ে ভীতি বেড়েই চলেছে।

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্তের কথা প্রশাসনকে জানিয়ে বরখাস্ত চিকিৎসক, কেরলে শোরগোল]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.