Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
করোনা আতঙ্ক

করোনার প্রকোপ ওষুধের বাজারেও, আকাশছোঁয়া দামে নাকাল হবে মধ্যবিত্ত

দ্বিগুণ দামে বিকোচ্ছে প্যারাসিটামল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২০, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২০, ১১:৫১

options
link
করোনার প্রকোপ ওষুধের বাজারেও, আকাশছোঁয়া দামে নাকাল হবে মধ্যবিত্ত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার আতঙ্কে জেরবার বিশ্ব। মহামারি এই রোগের প্রকোপে এবার দাম বাড়ল ভারতের বাজারে থাকা সাধারণ ওষুধের। সামান্য জ্বর, সর্দি, কাশির ওষুধ এখন বাজারে বিকোচ্ছে চড়া দামে। ফলে সমস্যায় পড়তে চলেছেন সাধারণ মানুষ। কয়েকদিন আগেই অবশ্য বাজার থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও N-95 মাস্ক।এবার সেই কোপ পড়তে শুরু করবে বাকি মেডিক্যাল সরঞ্জামের বাজারে।

করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল চিনের ইউহান প্রদেশে। করোনা সংক্রমেণের জেরে চিনের সঙ্গে সমস্ত বানিজ্যনীতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। ফলে ভারতের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ৭০ শতাংশ উপাদান আমদানিই প্রায় স্তব্ধ। আর এর জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভারতের অভ্যন্তরীন ওষুধের বাজার। চড়চড়িয়ে দাম বাড়ছে খুবই সাধারণ মানের ওষুধের। যা ক্রমশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। ভারতীয় ওষুধ নির্মাণ সংস্থাগুলি যে বাল্ক ওষুধ প্রস্তুত করে তার বাজারমূল্য ১৭ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। করোনা ভাইরাস(Covid-19) সংক্রমণের জেরে ভারত সরকার অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (API) চিন থেকে আমদানি করা বন্ধ করে দেয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে এই আমদানির মন্দা বাজার রুখতে ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্স থেকে API আমদানি করা হচ্ছে। তবে জেন ল্যাবরেটরির শীর্ষ আধিকারিক সঞ্জয় ধীর দাবি করেন, “আরও দু মাস যদি ভারতের কাছে চিনের এই ওষুধের প্রাথমিক উপকরণ আমদানির বাজার বন্ধ থাকে তাহলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাবে।যদিও এখন পরিস্থিতি সেভাবে খারাপ না হলেও ক্রমশ দাম বাড়তে শুরু করেছে ওষুধের।পাশাপাশি আমরা কাঁচামাল সংগ্রহ করতেও ভয় পাচ্ছি চিনের থেকে।” বাজারে প্রাপ্ত সামান্য প্যারাসিটামল ও নিমুস্লাইড এখনই চণ্ডীগড়ে তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা যায়। আমজনতা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ওষুধের এই মহার্ঘ হয়ে ওঠার ধাক্কা এখনই বুঝতে না পারলেও আর কয়েক মাসের মধ্যেই তারা তা টের পাবেন। তবে দ্রুত কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করলে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না বলে জানান ওষুধ নির্মাতা বিভোর জৈন।

[আরও পড়ুন: ইটালিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল হাজার, বন্ধ রোমের চার্চগুলিও]

ইতিমধ্যেই মেডিক্যাল সরঞ্জামের বাজারে শুরু হয়েছে কালোবাজারি। তবে সেই কালোবাজারি কড়া হতে দমন করতে ও ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কলকাতায় মাঠে নেমেছেন এনফোর্সমেন্ট আধিকারিকরা (Enforcement Branch)। শিয়ালদহ, কলেজ স্ট্রিট, বড়বাজার-সহ একাধিক জায়গায় হানা দেন ইবি আধিকারিকরা। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিকিৎসক ও ওষুধ নির্মাণ সংস্থাগুলিকে হাতে হাত মিলিয়ে এই মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: করোনার আতঙ্ক কমাতে গ্রীষ্মই ভরসা, গরমের অপেক্ষায় রাজ্যবাসী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.