Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
corona

বাঙ্গুর হাসপাতালের আইসোলেশনে ফের রোগীর মৃত্যু, মৃতদেহ ছাড়া নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা

পরিবারের দাবি, মৃতদেহ থেকে নমুনা নিয়ে পাঠানো হয়েছে করোনা পরীক্ষার জন্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২০, ১৩:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২০, ১৩:১৮

options
link
বাঙ্গুর হাসপাতালের আইসোলেশনে ফের রোগীর মৃত্যু, মৃতদেহ ছাড়া নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা zoom
অঙ্কন: সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়

গৌতম ব্রহ্ম: দিন কয়েক আগে পুরী ফেরত এক রোগী করোনার উপসর্গ নিয়ে ভরতি হয়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে। কিন্তু পরেরদিন করোনা পরীক্ষার আগেই প্রাণ হারান তিনি। তারপরই তৈরি হয় জটিলতা। কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর মৃতদেহ পোড়ানো হয় ধাপার মাঠে। যে স্থানে করোনায় মৃতদের পোড়ানোর আলাদা বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই এমআর বাঙ্গুরেই সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল সোমবার। যা নিয়ে নতুন করে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

রবিবার বাঙ্গুর হাসপাতালে জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভরতি হয়েছিলেন এক প্রৌঢ়। যাঁর বাড়ি সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশন লাগোয়া এলাকায়। হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল তাঁকে। আজ মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের দাবি, মৃতদেহ থেকে নমুনা নিয়ে পাঠানো হয়েছে করোনা পরীক্ষার জন্য। কিন্তু সমস্যা হল, পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আর তাই চরম ভোগান্তির শিকার পরিবারের লোকেরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা উপসর্গ সত্ত্বেও মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসা, রোগীমৃত্যুতে কোয়ারেন্টাইনে NRS-এর ৫৮]

মৃতের বাড়ির লোকেরা জানান, গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জ্বর আর শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তাঁর বাবা। ফুসফুসের সমস্যাও ছিল। ৩০ মার্চ বেলেঘাটা আইডিতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখান থেকে তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু সেখানেও ভরতি নেওয়া হয় না প্রৌঢ়কে। ওষধু দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বলা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই বাড়ি চলে আসেন তিনি। কিন্তু দিন কয়েক পরই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। বাড়ে শ্বাসকষ্ট। দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবার। ঠিক করা হয়, প্রৌঢ়কে নিয়ে যাওয়া হবে এমআর বাঙ্গুরে। সেই মতোই রবিবার তাঁকে বাঙ্গুর হাসপাতালে আনেন বাড়ির লোকেরা। সেখানে তাঁকে দেখেই ভরতি নেওয়া হয়। রাখা হয় আইসোলেশনে। কিন্তু পরের দিনই সব শেষ।

প্রৌঢ়ের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের লোকেরা। তাঁরা জানান, মৃতদেহ থেকেই নমুনা সংগ্রহ করে কোভিড পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন করোনার উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও জীবিত অবস্থায় নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল না? কেন আর জি কর বাবাকে ভরতি নিল না। এক সদস্য বলেন, “প্রৌঢ়ের করোনা টেস্ট আগে করা হল না। ব্রঙ্কাইটিস বলে চালিয়ে আর জি কর আমাদের বাড়ি পাঠিয়ে দিল। আমাদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়নি। এখন যদি মৃতের রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাহলে তো সকলেই সমস্যায় পড়বে।” বিষয়টিকে সরলীকরণ করে সমাজকে বিপন্ন করা হয়েছে বলেই দাবি পরিবারের। এদিকে, ওই ব্যক্তিকে যে ভরতি নেওয়া উচিত ছিল আর জি করের, তা স্বীকার করে নিয়েছে বাঙ্গুর কর্তৃপক্ষ। করোনা পরীক্ষার আগেই প্রৌঢ়ের মৃত্যু হওয়ায় বাঙ্গুরে নতুন করে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।

[আরও পড়ুন: ‘জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ান’, করোনা মোকাবিলায় মমতাকে বার্তা রাজ্যপালের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.