Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
COVID-19

SARS ও MERS-এর চিকিৎসা পদ্ধতিতেই কি মিলবে ঘাতক COVID-19 থেকে মুক্তি?

৬২টি ভ্যাকসিন মডেলের উপর কাজ চলছে বিশ্বে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২০, ২১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২০, ২১:৪২

options
link
SARS ও MERS-এর চিকিৎসা পদ্ধতিতেই কি মিলবে ঘাতক COVID-19 থেকে মুক্তি? zoom

দেশের সংকটের দিনে কলম ধরলেন হীরালাল মজুমদার মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যাপক ঋত্বিক আচার্য

সারা বিশ্বে এর আগে ত্রাস সৃস্টি করেছে ২০০২-২০০৩ সালে SARS (SARS-CoV) এবং ২০১১ সাল নাগাদ MERS (MERS-CoV)। এই দুটোই ছিল করোনা ভাইরাস। ২০১৯ সালের শেষে চীনের ইউহান এবং হুবেইতে দেখা যায় আজকের ভাইরাসটি (SARS-CoV-2) যা COVID-19 (Corona Virus Disease 2019) বলে পরিচিত। এই COVID-19-এর জিনগত গঠন পুরোটাই জানা গিয়েছে, যা অনেকাংশে জিন সিকোয়েন্সের দিক থেকে আগের করোনা ভাইরাস দু’টির অনুরূপ হলেও পার্থক্যও লক্ষনীয়। এই COVID-19-এর এখন অবধি ২৯টি জেনোটাইপ আবিষ্কৃত হয়েছে, যার মধ্যে এখনও ভারতে দেখা মিলেছে মাত্র দু’টির।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্বে SARS এবং MERS আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার ছিল ৯% এবং ৩৪.৫%। যেখানে COVID-19-এ আক্রান্তের মৃত্যু হার বেশ কম; সারা বিশ্বে ৬.২% এবং আমাদের দেশে আরও কম ৩%। উদ্বেগের জায়গাটা অন্যত্র। SARS এবং MERS আক্রান্তের বিশ্বব্যাপী সংখ্যাটা যথাক্রমে প্রায় ৮০০০ এবং ২৫০০। সেখানে COVID-19-এ আক্রান্তের সংখ্যাটা এই মুহূর্তে দাড়িয়ে ১৯ লক্ষ পার করেছে। গাণিতিকভাবে বললে, যদি ধরা যায় R0 হল কোনও একটি ব্যক্তির ভাইরাসটি সংক্রমণের সূচক, তবে সে ক্ষেত্রে মনে করা হয় যে সূচকের মান যদি ১-এর বেশি হয় তবে ভাইরাসের ধারাবাহিক সংক্রমণ বজায় থাকে। SARS-CoV-2-এর ক্ষেত্রে এই মান ২.২-২.৬। যা অতি উদ্বেগজনক। শুধু তাই নয় SARS এবং MERS-এর বিস্তার যেখানে ছিল অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত সেখানে এই COVID-19 ছড়িয়েছে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে।

COVID19

[ আরও পড়ুন: হাতিয়ার সচেতনতার প্রচার, করোনার গ্রাস থেকে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে সংবাদমাধ্যম ]

ভ্যাকসিন এবং অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ তৈরির প্রচেষ্টা বিশ্বজুড়ে চলছে জোরকদমে। WHO-এর বক্তব্য অনুযায়ী ৯০টিরও বেশি দেশ সম্মিলিত হয়েছে এই কাজে। মনে রাখতে হবে এই পদ্ধতি সময় সাপেক্ষ। প্রধান তিনটি ধাপ; প্রথম ধাপে নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে কার্যকারিতা যাচাই করে নেওয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হয় এদের ভবিষ্যৎ। সময় বাঁচিয়ে কাজ এগোনোর জন্য এথিক্যাল কমিটিগুলি এই মুহূর্তে অতি তৎপর।

ভাইরাসটির আবিষ্কারের মাত্র দু’মাসের মধ্যেই ৫০০’র বেশি প্রতিবেদন বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। SARS এবং MERS নিয়ে গৃহীত ৫০০’র বেশি পেটেন্টে আলোচিত ৪টি মূল পথের উপর কাজ চলছে এই রোগ প্রতিরোধে। ১. চিকিৎসায় সহযোগী অ্যান্টিবডি, ২. ইন্টারফেরিং RNA, ৩. ভ্যাকসিন এবং ৪. স্যাইটোকাইন। SARS এবং MERS CoV-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্তত ৬টি ভ্যাকসিন দেখাচ্ছে আশার আলো।

Corona-vaccination

WHO-এর সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ৬২টি ভ্যাকসিন মডেলের উপর কাজ চলছে বিশ্বে। যার মধ্যে Bejing Institute of Biotechnology এবং Moderna-এর কাজ রীতিমতো প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাকি ৬০-এর তালিকাতে অন্যতম ভারতের পুণেতে অবস্থিত Serum Institute of India।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, অ্যাজিথ্রোমাইসিনের পাশাপাশি SARS এবং MERS-এর ক্ষেত্রে উল্লেখ করা চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি দ্রুত প্রয়োগ আনা হচ্ছে আমাদের দেশে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টিউবেরকিউলোসিসের টিকা আমাদের দেশে সংক্রমণ রোধে বড় ভূমিকা নিচ্ছে। বোধহয় আর বেশি দিন নয়। উন্নত বিজ্ঞান আর সম্মিলিত প্রয়াসে দ্রুত আমাদের দেশ ও পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত।

[ আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় কেরল মডেলই আশার আলো, ভারত কি পারবে? ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.