সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা বিশ্ব যখন করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে ব্যস্ত তখনও ভারতে নাশকতার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলি ছোঁড়ার পাশাপাশি জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে প্রতিমুহূর্তে। যদিও ভারতীয় সেনা ও অন্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের তৎপরতায় পাকিস্তানের প্রতিটা প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হচ্ছে। এর পাশাপাশ সেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ১৫ দিন আগেও যেখানে করোনা রোগীর সংখ্যা হাতে গোনা যাচ্ছিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে সাড়ে ছ’হাজার জনের শরীরে এই মারণ ভাইরাসে হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে পাক অধিকৃত পাঞ্জাবের পাকপাট্টানে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১৯৮ জন তবলিঘি জামাতের সদস্যের মধ্যে ন’জনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গেল।
পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাকিস্তানে মোট ৬ হাজার ৫০৬ জনের শরীরে এই মারণ ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই পাক অধিকৃত পাঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। দু’সপ্তাহ আগে পাকপাট্টানে তবলিঘি জামাতের ১৯৮ জন সদস্যকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত তাদের মধ্যে ন’জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে পাকপাট্টানের কোয়ারেন্টাইনে একজন, শাহীওয়ালে ৬ জন ও বাহাওয়ালপুরে দুজন রয়েছে।
[আরও পড়ুন: মরণকূপ আমেরিকা, অসহায়ভাবে মৃত্যুর অপেক্ষায় প্রবাসীরা ]
প্রশাসনের হুঁশিয়ারি সত্বেও মার্চ মাসে পাকিস্তানের লাহোরে একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল তবলিঘি জামাত (Tablighi Jamaat) -এর পক্ষ থেকে। এরপরই পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাক অধিকৃত পাঞ্জাব প্রদেশের প্রশাসন খায়িরপুর ডাহা এলাকার নিকটবর্তী ধুরে কোটে-তে অবস্থিতে একটি মসজিদে কোয়ারেন্টাইন করে রাখে।