সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোভেল করোনা ভাইরাসের ত্রাসে কাঁপছে ইউরোপ ও আমেরিকা। তা, কাঁপার কারণ আছে বইকি! দুই মহাদেশে কার্যত তাণ্ডবলীলা শুরু করেছে কোভিড-১৯। কিছুতেই থামছে না এই মহামারির মৃত্যুমিছিল।
[আরও পড়ুন: নিশানায় মুসলিমরা! করোনা আতঙ্কের মধ্যেও বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে]
তথ্য বলছে, শুধুমাত্র ইউরোপে লক্ষাধিক মানুষ মারা গিয়েছেন যা গোটা পৃথিবীতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যার তিন ভাগের প্রায় দু’ভাগ। আমেরিকায় এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছে ৪০ হাজার মানুষ। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন এক হাজার ১ হাজার ৯৯৭ জন। আমেরিকায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে সাত লক্ষ ২৫ হাজার মানুষের। পৃথিবী জুড়ে সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ২৩ লক্ষ ৪১ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৬১ হাজার জনের। সময় যত এগচ্ছে ততই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে করোনা সংক্রমণ। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুমিছিল। প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে একের পর এক সংখ্যার রেকর্ড।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুরে সুর মিলিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (‘হু’) কড়া সমালোচনা করল ‘ওয়ার্ল্ড মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লুএমএ)’। সমালোচনায় বলেছে, করোনা সংক্রমণে বিশ্ব যে চেহারা নিয়েছে, তার জন্য দায়ী হু-ই। এমন সংক্রমণ রোখার জন্য আগেভাগেই যে যে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল তাইওয়ান, ‘রাজনৈতিক কারণে’ই তাকে গুরুত্ব দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
মৃতের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে আমেরিকা। এর পর রয়েছে ইতালি। তেইশ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন করোনায়। স্পে, ফ্রান্স, ব্রিটেনের অবস্থাও খারাপ। পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ আমেরিকায়। শুধু মাত্র নিউইয়র্কেই ১৩ হাজার ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দু’সপ্তাহে এই প্রথম বার নিউইয়র্কে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৫৫০-র কম, এ কথা জানিয়েছেন সেখানকার গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো। চিনে নতুন করে আরও ১৮ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। গত গত ১৭ মার্চের পর নতুন সংক্রমণের এই পরিসংখ্যানটা সবচেয়ে কম। পাকিস্তানে ইতিমধ্যেই আট হাজার মানুষের করোনা ধরা পড়েছে। বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন দু’হাজার ৪৫৬ জন।