সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ এড়াতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে দেশের অন্যতম একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়য়েছে খাদ্য সংকট। লকডাউনের কারণে সব বন্ধ। তাই রোজগার নেই দিন আনে দিন খায় মানুষের। যাদের সামর্থ আছে, তারাও অন্য দিক থেকে নাচার। যানবাহন না চলায় অনেকে দোকান বাজারে যেতে পারছেন না। অনেকে আবার প্রতিবন্ধকতা বা বার্ধক্যের কারণে অসহায়। কারণ যানবাহন না চললে দোকানে গিয়ে জিনিস কেনা তাদের পক্ষে অসম্ভব। সমাজের সেইসব মানুষের পাশে দাঁড়িলেন অভিনেত্রী ও বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান।
শুক্রবার তিনি বেহালার একটি বৃদ্ধাশ্রম ও প্রতিবন্ধীদের হোমে গিয়ে শুকনো রেশন ও মুদিখানার জিনিসপত্র দান করেন। কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরের লায়ন্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল যেখানে শামিল হন নুসরতও। চাল, ডাল, আলু, পিঁয়েজের পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনী জিনিসও তুলে দেওয়া হয় বৃদ্ধাশ্রমের সদস্যদের হাতে। এর মধ্যে রয়েছে সাবান, শ্যাম্পু-সহ আরও অনেক স্যানিটারি জিনিস। এদিন রেশন তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেন। করোনা পরিস্থিতিতে সাবধানে থাকার কথাও বলেন। এদিন সচেতনতা প্রচারও করেন বসিরহাটের সাংসদ।

[ আরও পড়ুন: ‘মিউজিককে স্মার্টলি ব্যবহার করতেন’, জন্মশতবর্ষে সত্যজিৎ-স্মরণ দেবজ্যোতি মিশ্রর ]
তবে নুসরত এই প্রথম রাস্তায় নেমে সচেতনতা প্রচারে শামিল হলেন, তা নয়। এর আগেও তিনি চেতলা বাজারে ঢুঁ মেরেছিলেন। মার্চের শেষের দিকে, যখন লকডাউন শুরু হয়েছিল, তখন মাস্কে মুখ ঢেকে চেতলা বাজারে হাজির হন সাংসদ নুসরত। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কীভাবে সচেতন হয়ে কেনাকাটা করতে করতে হবে, কতটা দূরে-দূরে থাকতে দাঁড়াতে হবে তা তিনি বুঝিয়ে দেন। পাশাপাশি, সকলের সুবিধা-অসুবিধার কথাও জানতে চান সাংসদ। ১৫-২০ মিনিট সেখানে ছিলেন তিনি। করোনা সচেতনতায় হ্যান্ড স্যানিটাইডার, মাস্ক বিলিও করেন নুসরত।