Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
তিরুপতি মন্দির

ঈশ্বরের ঘরেও করোনার মার! লকডাউনে কাজ হারালেন তিরুপতি মন্দিরে ১,৩০০ কর্মী

নিরাপদ নন দেশের সবচেয়ে ধনী মন্দিরের কর্মীরাও!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২০, ১২:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২০, ১২:৩৮

options
link
ঈশ্বরের ঘরেও করোনার মার! লকডাউনে কাজ হারালেন তিরুপতি মন্দিরে ১,৩০০ কর্মী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের মার কতটা ভয়ংকর তা আরও একবার স্পষ্ট হল তিরুপতি মন্দির (Tirupati Balaji temple) ট্রাস্টের একটি সিদ্ধান্তে। মন্দিরের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কর্মীকে বেমালুম ছেঁটে ফেলা হল। লকডাউনের ফলে বন্ধ দর্শন। তাই ওই কর্মীদেরও কোনও কাজ নেই। এই অজুহাতে ওই ১৩০০ কর্মীর চুক্তির নবীকরণ করল না মন্দিরের ট্রাস্টি তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (Tirumala Tirupati Devasthanam) বোর্ড।

তিরুপতি বালাজি মন্দির। অন্ধ্রপ্রদেশে অবস্থিত ভেঙ্কটেশ্বরের এই মন্দিরটি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় তীর্থক্ষেত্রগুলির একটি। সম্পত্তির বিচারে এটিই সবচেয়ে ধনী মন্দির। প্রতিবছর এই মন্দিরে কোটি কোটি মানুষ দর্শন করতে আসেন এবং হাজার হাজার কোটি টাকা দান করেন। এই আর্থিক বছরে তিরুপতি মন্দির ট্রাস্টের বাজেট ৩৩০৯ কোটি টাকা। কিন্তু লকডাউনের জেরে গত প্রায় দেড় মাস বন্ধ মন্দির দর্শন। ফলে মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাস্ট। এই পরিস্থিতিতে ভারতের সবচেয়ে ধনী মন্দির তিরুপতিতে ছাঁটাই করা হল ১৩০০ অস্থায়ী কর্মীকে। ১ মে থেকেই তাঁদের কাজে যেতে নিষেধ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। ট্রাস্টি বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘অসহায় পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার খরচ দেবে কংগ্রেস’, বড় ঘোষণা সোনিয়ার]

মন্দির সুত্রের খবর, গত ৩০ এপ্রিল ওই ১৩০০ কর্মীর চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে। তাঁরা অন্য এক সংস্থার কর্মী। চুক্তির ভিত্তিতে তিরুপতি মন্দিরে কাজ করতেন। প্রতিবছরই এই সময় কর্মীদের চুক্তি শেষ হওয়ার পর নতুন করে টেন্ডার ডাকে মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড। যে সংস্থা সবচেয়ে কম অর্থে কর্মী সরবরাহ করতে রাজি হয়, তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্য বছর হলে এতদিন নতুন টেন্ডার ডাকা হয়ে যেত। কিন্তু এ বছর আর নতুন করে টেন্ডার ডাকা হয়নি। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ওই ১৩০০ মানুষ। মন্দির কর্তৃপক্ষের যুক্তি, দর্শন বন্ধ, তাই এই কর্মীদের এখন কোনও কাজ নেই। তাই এখনই চুক্তি নবীকরণ করা হচ্ছে না। তবে, শ্রমিকদের কথা মানবিক দৃষ্টিতে ভাবা হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.