সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আতঙ্কের জেরে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠছে বিশ্বজুড়ে। আর এর মাঝেই চিনের মদত ও উসকানিতে ভারতের সঙ্গে পাঙ্গা নেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে পুচকে নেপাল। গত বুধবারই ভারতের তিনটি এলাকা নিজের বলে দাবি করে প্রকাশ করা নয়া মানচিত্র নিয়ে পিছু হটেছিল তারা। ওই মানচিত্রের সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাওয়ার দরজা খুলতে সংসদে এই সংক্রান্ত বিল পেশ করার পরিকল্পনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকার। কিন্তু, রবিবার ফের ওই মানচিত্র নিয়ে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করল নেপাল সরকার। রবিবার নেপালের জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল আনা হয়।। যাতে সমর্থন দেওয়ার কথা স্পষ্ট করেছে সরকার বিরোধীরা। বিলটি পাস হলে লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরার মতো এলাকা নেপালের মানচিত্রে অন্তর্গত হবে যাবে।
সূত্রের খবর, রবিবার এই বিলটি জাতীয় সংসদে পেশ করেন নেপালের আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী শিবময় তুম্বাহাংহে। শনিবার এই বিলে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন প্রধান বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেসের সাংসদরা। এরপর রবিবার ওলি সরকারে তরফে এই বিলটি পেশ করেন নেপালের আইনমন্ত্রী। এই সংশোধনী পাস হলে নেপালের সংবিধান এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সংশোধিত হবে।
[আরও পড়ুন: লকডাউন উঠতেই স্পেনে গিয়ে পার্টি, নিয়ম ভেঙে করোনা আক্রান্ত বেলজিয়ামের রাজকুমার ]
উত্তরাখণ্ড থেকে মানস সরোবর পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরি করছে ভারত। তাতেই বাধ দিচ্ছে নেপাল। ক্ষমতাসীন ওলি সরকারের দাবি, যে তিনটি জায়গার উপর দিয়ে এই রাস্তা তৈরি হচ্ছে সেই কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পুয়াধুরা নেপালের এলাকা। বিষয়টি শুধুমাত্র আলোচনার স্তরে না রেখে দেশের নতুন মানচিত্রও তৈরি করে ফেলে তারা। এমনকী জাতীয় সংসদে তা পাসও করিয়ে নেয়। এরপর শুধু দরকার ছিল দেশের সংবিধানে সংশোধন করা। গত বুধবার সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলেও শনিবার বিরোধীরা এই বিলে সরকারকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর তারপরই রবিবার এই বিল পেশ করার সাহস দেখায় সরকার পক্ষ। বিতর্কিত এই বিলটি পাস হলে ভারতের সঙ্গে নেপালের সম্পর্ক অতন্ত খারাপ হবে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।