বাবুল হক, মালদহ: ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। তবে দিনেদুপুরে বজ্রপাত তিন তিনজনের প্রাণ কেড়ে নেবে, তা কেউ ভাবতেও পারেননি। অথচ বাস্তবে হলো তাই। বজ্রপাতে প্রাণ হারালেন মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের ৩জন। গুরুতর আহত একজন।
বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটে নাগাদ প্রবল মেঘ করে আসে, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়। তার সঙ্গে সঙ্গে ঘনঘন বজ্রপাত। এই বজ্রপাতেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় প্রাণ হারান তিনজন। মৃত্যু হয় তেত্রিশ বছরের মিঠু কর্মকারের। তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর ১নং ব্লক এলাকার বারদুয়ারী দক্ষিণ রামনগর গ্রামের বাসিন্দা। ঝড়ের সময়ে তিনি মাঠে কাজ করছিলেন। অন্যদিকে পাশেই বাইশা গ্রামের পিনু ওঁরাও ঝড়ের সময় পাশের আমবাগানে ছিলেন। তিনিও বাজের আঘাতে প্রাণ হারান। হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার নারায়ণপুর গ্রামে সুলতান আহমেদও বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করছিলেন। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
[আরও পড়ুন: সরকারি কর্মীর অ্যাকাউন্টে ঢুকছে ১০০ দিনের কাজের টাকা! বড়সড় দুর্নীতি মুর্শিদাবাদে]
রামনগর এলাকার কৃষ্ণ সাহা নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তাঁকে প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর অবস্থার অবনতি ঘটায় চাঁচল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস। তিনি জানান, এদিন দুপুরে প্রবল ঝড় বৃষ্টিতে হরিশ্চন্দ্রপুরথানা এলাকার তিনজন বাজ পড়ে মারা গিয়েছেন। একজন গুরুতর অবস্থায় চাচলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: বাড়ির গেটম্যান করোনা পজিটিভ, কোয়ারেন্টাইনে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার]
এদিকে, আগামী দু, তিন ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা ও হাওড়ায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম, হুগলিতেও। তবে ঝড়বৃষ্টি হলেও, তাপমাত্রার তেমন হেরফের হবে না। আর্দ্রতা বেশি থাকায় অস্বস্তিও বজায় থাকবে বলে পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।