Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
চিন

বেকায়দায় ‘ড্রাগন’, ভারতকে স্বস্তি দিয়ে চিনের বিরুদ্ধে বিল পাশ করল আমেরিকা

উইঘুর কাঁটায় বিদ্ধ চিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২০, ১১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২০, ১১:২৯

options
link
বেকায়দায় ‘ড্রাগন’, ভারতকে স্বস্তি দিয়ে চিনের বিরুদ্ধে বিল পাশ করল আমেরিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতকে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে চিনের উপর চাপ সৃষ্টি করল আমেরিকা। বুধবার (মার্কিন সময়) চিনে উইঘুর মুসলিম নির্যাতন নিয়ে একটি বিলে সই করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

[আরও পড়ুন: চিন ইস্যুতে বাড়তি সতর্কতা, বিকেলে মোদির সর্বদলে থাকছেন সোনিয়া, ইয়েচুরিও]

ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপে বেজিং অনেকটাই চাপে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চিনের পশ্চিম জিনজিয়াং প্রান্তে উইঘুর মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর নজরদারি চালানো এবং তাঁদের উপর নির্যাতন চালানোর জন্য চিনা আধিকারিকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির কথা উল্লেখ রয়েছে নয়া আইনে। এছাড়াও, উইঘুরদের উপর চলা চিনা নির্যাতন ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে আমেরিকার এই পদক্ষেপে। লাদাখে চিন-ভারত সীমান্তে সংঘাতের আবহে চিনের (China) উপর চাপ বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে নয়াদিল্লি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, গত মে মাসেই মার্কিন কংগ্রেসে পাশ হয় ‘The Uighur Human Rights Policy Act of 2020’ শীর্ষক বিলটি। তারপর সেটিকে পাঠানো হয় প্রেসিডেন্টের কাছে। ভারতীয় সময় মতে, বৃহস্পতিবার বিলটিতে সই করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের দাবি, জিনজিয়াং প্রদেশে চিনা প্রশাসন লক্ষাধিক সংখ্যালঘু মুসলিমকে ক্যাম্পে বন্দি করে রেখেছে। সেখানে তাদের অমানবিক জীবনযাপনে বাধ্য করা হচ্ছে। তাদের ধর্ম ত্যাগ করতেও বাধ্য করা হচ্ছে।

এদিকে, উইঘুরদের জন্য নয়া মার্কিন আইনে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে চিন। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক হুঁশিয়ারির সুরে দাবি জানিয়েছে, আমেরিকা (US) যেন এই আইন প্রত্যাহার করে নিজের ‘ভুল’ শুধরে নেয়। এভাবে চিনা আধিকারিকদের হেনস্তা মেনে নেওয়া হবে না। জিনজিয়াংয়ে চিন যা করছে, তা শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশে করা হচ্ছে। সন্ত্রাসবাদের এই আতুড়ঘরকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে। আর এখানে যা করা হচ্ছে, তা পুরোপুরি চিনের নিয়ম মেনেই হচ্ছে। আমেরিকা যে অভিযোগগুলি তুলছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই না।

[আরও পড়ুন: চিনা হামলায় জখম কতজন ভারতীয় জওয়ান? তথ্য দিল ভারতীয় সেনা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.